মোতাহার নামের এক বিচারককে তিন কোটি টাকা দিয়েও তারেক রহমান নিন্ম আদালতে রায় পেয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম।

শুক্রবার রাজধানীতে এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, “বাংলাদেশের মাটিতে পাকিস্তানি ভাবধারা বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হবে না। এদেশে গুপ্ত হত্যা ও জঙ্গি হামলায় ইন্দন দিচ্ছে বিএনপি জামাত।”

বাংলাদেশের মানুষকে জঙ্গিতে না ঘাবড়াবার পরামর্শ দিয়ে সেলিম বলেন, “আপনারা ঘাবড়াবেন না, সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। হয়তবা কিছু লোকের কিছু ক্ষতি হতে পারে।”

এ সময় আওয়ামী লীগের এই সভাপতি মন্ডলীর এই সদস্য, বিএনপি নেতা তারেক রহমানের মামলার রায়ের কথা তুলে ধরে বলেন, “ওই যে একটা পোলা আছে না? ওই তারেক জিয়া। চোর; চুরি করে টাকা বাইরে নিছে। তারপর কি করছে জানেন? মোতাহের নামের এক বিচারককে ৩ কোটি টাকা ঘুষ দিছে। বলে কোন রকমে আমারে বাঁচান। ওই বেটা করছে কি; যেদিন রায় দিছে সেদিনই পালাইয়া গেছে। কারণ, তিনি জানেন নিন্ম আদালত যে রায় দিছে তা ঠিকমত দেয় নাই।”

টাকা খরচ হচ্ছে দুইজন; মূল ১নম্বর আসামির সাজা হয়নি। এফ বি আই সাক্ষী দিয়ে গেছে; উচ্চ আদালত সব দেখে রায় দিয়েছে। এখন তারা বিচার মানে না।

ঢাকেশ্বরী মন্দীরে ঢাকা মহানগর সার্বজনীন পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বি-বার্ষিকী সম্মেলনের এই আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন,“বিএনপি জামায়াত ভেবেছিল আমাদের পার্শবর্তী হিন্দু অদ্যসীত দেশ ভারতের সাথে সম্পর্ক নষ্ট করতে পারলে রাষ্ট্র ক্ষমতায় যেতে পারবে। আর তাই বাংলাদেশের সাথে ভারতের সম্পর্ক নষ্ট করতে এদেশের হিন্দু, বৌদ্ধ সাফায়েত ও পুরহিতদের গুপ্ত হত্যা করা হয়েছে।”

“ভারতের সাথে আমাদের সম্পর্ক হাজার বছরের। কেই এই সম্পর্ক নষ্ট করতে পারবে না।”

“বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে গুপ্তহত্যায় জড়িতরা ধরা পরার পর দেখা যায় তারা ছাত্রদল ও ছাত্র শিবিরের নেতা। এর মধ্য দিয়ে প্রমানিত হয় যারা এদেশে গুপ্তহত্যা, জঙ্গিবাদ করছে তারা বিএনপি-জামাতের। এখানে আইএস কিংবা বিদেশি কোন হাত নাই।”

ঢাকা মহানগর সার্বজনীন পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি মি. জে. এল. ভৌমিকের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, ভারতীয় ডেপুটি হাই কমিশনার আদর্শ সাইকা, সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক মি. ডি এন. চ্যাটার্জী।

ইআর