বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারী মোবারক হোসাইন বলেছেন, গণবিচ্ছিন্ন সরকার এখন ক্ষমতা হারানোর ভয়ে অস্থির হয়ে উঠেছে।
ফ্যাসীবাদী সরকার দেশের গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধ্বংস করে আবারও একদলীয় বাকশালী শাসন প্রতিষ্ঠার দিবাস্বপ্নে বিভোর।
কিন্তু দেশপ্রেমী জনতা সরকারের সে ষড়যন্ত্র কখনোই বাস্তবায়িত হতে দেবে না। তিনি সরকারকে জুলুম-নির্বচনের পথ পরিহার করে অবিলম্বে পদত্যাগ ও কেয়ারকেটার সরকারের অধীনে নতুন নির্বাচন দেয়ার আহবান জানান। অন্যথায় সৃষ্ট পরিস্থিতির দায়-দায়িত্ব সরকারকেই বহন করতে হবে।
তিনি আজ রাজধানীতে ৫ জানুয়ারি গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর মিরপুর জোন আয়োজিত এক বিক্ষোভ পরবর্তী সমাবেশে একথা বলেন।
মিছিলটি বনানী-কাকলী থেকে শুরু হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য লস্কর মোহাম্মদ তসলিম ও মাহফুজুর রহমান, ঢাকা মহানগরীর মজলিশে শুরা সদস্য আব্দুস সালাম, নূরুল ইসলাম আকন্দ, অধ্যাপক আনোয়ারুল করিম, মোস্তাফিজুর রহমান, মিজানুল হক ও সোলাইমান হোসেন, ছাত্র নেতা মোবারক হোসাইন, সাইদুর রহমান স্বপন ও তামীম আহমদ, জামায়াত নেতা আলাউদ্দীন মোল্লা, আহমদুল্লাহ, আব্দুল মতিন খান, আশরাফুল আলম ও নাসির উদ্দীন প্রমূখ। সমাবেশ শেষ পুলিশ বিনা উস্কানীতে জনতার উপর হামলা চালায়।
এতে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশ ৬ জনকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়।
মোবারক হোসাইন বলেন, আওয়ামী লীগ ৫ জানুয়ারির তামাশা ও ভাঁওতাবাজীর নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে জনগণের উপর দলন-পীড়ন চালাচ্ছে।
সরকার গণআন্দোলনে ভীত হয়েই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থায়ে ১৪৪ ধারা জারি করেছে। তারা ২০ দলীয় জোট নেত্রীকে গুলশান কার্যালয়ে আটক করে রেখেছে। আসন্ন গণআন্দোলন ঠেকানোর জন্যই সারা দেশে গণগ্রেফতার চলছে। তারা বিরোধী দলকে রাজপথে কোন রাজনৈতিক কর্মসূচী পালন করতে না দিয়ে জনগণের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক অধিকার ক্ষুন্ন করছে।
মূলত আওয়ামী জনগণের উপর দলন-পীড়ন চালিয়ে তাদের অবৈধ ক্ষমতাকে প্রলম্বিত করতে চায়। কিন্তু তাদের সে ষড়যন্ত্র কখনোই সফল হবে না। তিনি জালিম ও ফ্যাসীবাদী সরকারের পতনের লক্ষ্যে সকলকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাজপথে নেমে আশার আহবান জানান।
এসএইচ





