ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর এমাজউদ্দীন আহমেদ বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার ভারতকে সকল প্রকার সুবিধা দিতে দানবীর হাতেম তাইতে পরিণত হয়েছে। মোদির সফরে ভারতের সাথে আমাদের ২২টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর বেশিরভাগই ভারতের স্বার্থে। এতে আমাদের কোনো স্বার্থ নেই।’
জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে বুধবার দুপুরে ‘দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলন’ আয়োজিত ‘ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর সফর : প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
এ সব চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশেকে ভারতের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘একজনকে সন্তুষ্ট করার উদ্দেশ্যে আমার উঠান খুলে দিলাম কিন্তু খোলা উঠানে পা দেওয়ার ক্ষমতা আমার থাকবে কি না, তা সরকারকে ভেবে দেখা উচিৎ।’
মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে যে দেশ স্বাধীন করেছি, কোনো চুক্তির মাধ্যমে সে দেশের এক ইঞ্চি মাটিও ছেড়ে দেওয়া হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘সরকার কখনোই চায়নি মোদির সাথে খালেদার বৈঠক হোক। এর একমাত্র কারণ, বর্তমান সরকার জনসমর্থনহীন।’
মোদির সফরের মাধ্যমে দুই দেশের সীমান্ত চুক্তিসহ বিরাজমান সকল সমস্যা সমাধান হওয়ার আশা থাকলেও এ সম্পর্কে কোনো আলোচনা হয়নি বলেন তিনি।
এমাজউদ্দীন বলেন, ‘সীমান্ত ও তিস্তা চুক্তি সম্পর্কে যারা কথা বলবেন, তাদের দক্ষতার ওপর নির্ভর করছে কীভাবে তিস্তা ও সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন হবে।’
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন, আয়োজক সংগঠনের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রিপন, কৃষক দলের নেতা শাহজাহান মিয়া সম্রাট, স্বাধীনতা ফোরামের সভাপতি আবু নাসের মো. রহমতউল্লাহ প্রমুখ।
জেআই





