যশোরে দুই শিবির নেতাকে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর জেল গেট থেকে পুণরায় গ্রেপ্তারের ৪ দিন পেরিয়ে গেলেও তাদের এখন পর্যন্ত আদালতে হাজির না করায় গভীর উদ্ধেগ প্রকাশ ও অবিলম্বে তাদের সন্ধান এবং মুক্তি দাবী করে বিবৃতি প্রদান করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
এক যৌথ প্রতিবাদ বার্তায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান ও সেক্রেটারী জেনারেল ইয়াছিন আরাফাত বলেন, গত ২২শে জুলাই যশোর থেকে দুই শিবির নেতা ফাযিল পরীক্ষার্থী আব্দুল্লাহ এবং ইসমাঈলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গত ২৯ জুলাই জামিনে মুক্তি পেয়ে বের হওয়ার সময় প্রকাশ্য দিবালোকে সবার সামনে জেল গেট থেকে পোষাকধারী পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে সদর থানার পুলিশ কর্মকর্তার(ওসি) সাথে যোগাযোগ করা হলে প্রথমে গ্রেপ্তারের কথা স্বীকার করলেও পরে তা অস্বীকার করে। তাদের সন্ধানের দাবীতে বার বার পুলিশের বিভিন্ন কর্মকর্তাদের দারস্থ হচ্ছেন তাদের পরিবার।
একই দাবীতে গত ৩০ জুলাই ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে বিবৃতি প্রদান করা হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত তাদের আদালতে হাজির করা হয়নি। আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পরেও দুইজন মেধাবী ছাত্রকে গ্রেপ্তার ও অস্বীকার করা বেআইনি এবং অমানবিক। পুলিশের এর দায়িত্বহীন আচরণের ফলে তাদের পরিবার পরিজনদের সাথে আমরাও শঙ্কিত।
নেতৃবৃন্দ বলেন, তাদের পরীক্ষা শুরু হলেও পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে পারছে না। এ অবস্থায় তাদের নিয়ে পুলিশের এই অমানবিক তামাশা দুই মেধাবী ছাত্রের শিক্ষা জীবন ধ্বংস করে দিবে। পুলিশ বা প্রশাসনের এই আচরণ কোন ভাবেই গ্রহণ যোগ্য নয়।
আমরা মনে করি কোন অসৎ উদ্দেশ্যে হাসিলের জন্য পুলিশ জামিন পাওয়ার পরও তাদের গ্রেপ্তার করেছে এবং এখন পর্যন্ত বেআইনি ভাবে গুম করে রেখেছে। অবিলম্বে তাদের খোঁজ ও মুক্তি দিতে হবে।
নিরপরাধ শিবির নেতাদের কোন ক্ষতি বা তাদের নিয়ে কোন নাটক সহ্য করা হবেনা। তাদের সামান্যতম ক্ষতি হলে এর দায়ভার প্রশাসনকে বহন করতে হবে। আমরা আশা করি অবিলম্বে প্রশাসন ও পুলিশ দুই পরীক্ষার্থীর সন্ধান এবং মুক্তি দিয়ে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিবেন।
নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে দুই শিবির নেতার সন্ধান ও মুক্তি দিতে এবং ভবিষ্যতে এমন অমানবিক আচরণ থেকে বিরত থাকতে পুলিশ প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান।
এমবি/ইআর





