অধ্যাপক মুজিবুর রহমান একটি বাসায় শ্রমিককল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বৈঠক করছিলেন। সেখান থেকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদেরকে গ্রেফতার করে।
ঘরোয়া একটি বৈঠক থেকে জামায়াতের নেতৃবৃন্দকে এভাবে গ্রেফতার করা আইনের দৃষ্টিতে চরম অন্যায়। ১৩ জন নেতা-কর্মীকে শুধু গ্রেফতারই করা হয়নি, বরং তাদের নিকট থেকে ২০টি বোমা পাওয়া গেছে মর্মে একটি নাটক সাজানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর জনাব মকবুল আহমাদ আজ এক বিবৃতি প্রদান করেন।
আজ সোমবার এক বিবৃতির মাধ্যমে তিনি এ কথা জানান।
তিনি আরো জানান, জামায়াতকে নেতৃত্বশূন্য করে একদলীয় শাসন কায়েমের লক্ষ্যে সরকার ফ্যাসিবাদী কায়দায় জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে। অথচ সভা-সমাবেশ করা প্রত্যেকটি নাগরিকের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার। সরকারের এ ধরনের অগণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ড, সাজানো নাটক, হয়রানি এবং দমন-পীড়নের আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
জনাব মকবুল বলেন, সরকারের জুলুম-নিপীড়নের প্রতিবাদে এবং নেতৃবৃন্দের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে আগামীকাল ৮ সেপ্টেম্বর দেশব্যাপী শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করছি। ঘোষিত এ কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সফল করার জন্য আমি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সকল শাখার প্রতি আহবান জানাচ্ছি এবং দেশবাসীর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।”
উল্লেখ্য, আজ সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও শ্রমিককল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি এবং সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ জামায়াতের ১৩ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়।
এসএইচ





