বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার পর তাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে অনেকেই মন্তব্য করেছেন।
এর আগে ফাঁসি কার্যকর হওয়া জামায়াতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদধারী সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের ছেলে আলী আহমেদ মাবরুরও প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন ফেসবুকে। টাইমনিউজবিডির পাঠকদের জন্য সেই স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো:
“ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
আমাদের আমীরে জামায়াত, আমাদের পরম শ্রদ্ধেয় নেতা, বিশ্ব ইসলামী আন্দোলনের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব, দুর্নীতিমুক্ত সাবেক সফল মন্ত্রী মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী শাহাদাতের অমিয় সুধা পান করে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের সান্নিধ্যে চলে গেছেন। আল্লাহ তায়ালা যেন তার শাহাদাত কবুল করে জান্নাতের প্রশসংসিত স্থানে তাকে দাখিল করেন, আমীন।
আমি বাংলাদেশের ইসলামী আন্দোলন তথা জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে গর্ববোধ করি। কেননা এই সংগঠনের সর্বোচ্চ ব্যক্তি মুহতারাম আমীরে জামায়াত, সেক্রেটারী জেনারেল এবং দুইজন সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল বাতিলের সাথে কোন ধরনের আপোষ না করে হাসতে হাসতে শহীদ হয়ে গিয়েছেন। আমীরে জামায়াত শহীদ মাওলানা নিজামী, আমাদের (শহীদ আলী আহসান মো: মুজাহিদ) পরিবার, শহীদ মোহাম্মাদ কামারুজ্জামান এবং শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লা দীর্ঘদিন একই পাড়ায় পাশাপাশি ভবনে বাস করেছি। ইনশা আল্লাহ জান্নাতেও এই চার শহীদ একসাথেই থাকবেন।
বিশ্বের ইতিহাসে এতবড় শহিদী নজরানা স্থাপনের নজির আর আছে কিনা আমার জানা নেই, সেখানে একটি দলের শীর্ষ নেতারা কয়েক মাসের ব্যবধানে একজনের পর একজন শাহাদাত বরন করছেন।
প্রতিটি শাহাদাত, প্রতিটি ফোট রক্ত এই দেশে ইসলামী আন্দোলনকে আরো মজবুত করছে। এই শহীদেরা ক্রমশই জীবিত মানুষের তুলনায় অনেক বেশী শক্তিমান হয়ে উঠছেন। ক্রমশই আরো বেশী মর্যাদাবান হয়ে উঠছেন। আমি মনে করি, জামায়াতের আমীরের শাহাদাত এদেশে ইসলামী আন্দোলনের ভিত্তিকে চিরস্থায়ী রূপ দেবে ইনশা আল্লাহ।
মুহতারাম আমীরে জামায়াত, আপনি সামনে থেকে যে মিছিলের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন, সেই মিছিল এখনও চলছে। আমরা আপনার পেছনে থেকেই এই মিছিল নিয়ে, ইসলামী আদর্শের পতাকা নিয়ে আগের চেয়ে আরো জোর গতিতে সামনে এগিয়ে যাবো ইনশাল্লাহ।
আমাদের নেতারা শহীদি মিছিলের নেতা, কার সাধ্য আছে এই মিছিলের গতি রুখবার??”
কেবি





