জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরীর সহকারি সেক্রেটারি মোবারক হোসাইন বলেছেন, সরকার জনতার কন্ঠকে স্তব্ধ করার জন্য দলন-পীড়ন, হত্যা-সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের পথ বেছে নিয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও দলীয় সন্ত্রাসীদের জনতার বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে অতীতে কোন স্বৈরাচারি ও ফ্যাসীবাদী শক্তির শেষ রক্ষা হয়নি, আর আওয়ামী লীগেরও হবে না।

তিনি সরকারকে জুলুম-নির্যাতনের পথ পরিহার করে অবিলম্বে পদত্যাগ ও কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে নতুন নির্বাচন দেয়ার আহবান জানান। অন্যথায় গণদাবি রাজপথেই আদায় করা হবে।

তিনি আজ রাজধানীর ধানমন্ডিতে অবরোধের সমর্থনে এক মিছিল পরবর্তী সমাবেশে একথা বলেন।
মিছিলটি কল্যাণপুর থেকে শুরু হয়ে নগরী বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সমাবেশের মাধ্যমে সড়ক অবরোধ করে।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য মাহফুজুর রহমান, মজলিশে শুরা সদস্য নূরুল ইসলাম আকন্দ, দারুসসালাম সেক্রেটারি আহমদউল্লাহ, জামায়াত নেতা মিজানুর রহমান, তাজুল ইসলাম, বেলায়েত হোসেন ও ছাত্র নেতা জসিম উদ্দীন প্রমূখ।

মোবারক হোসাইন বলেন, জনতার চলমান আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহের জন্য সরকারি দলের সন্ত্রাসীরা সারাদেশে নাশকতা চালিয়ে মানুষ হত্যা করে দায়ভার চাপাচ্ছে আন্দোলনকারী জনতার উপর। সরকারের নির্দেশেই আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর এক শ্রেণীর সদস্য সারা দেশেই ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। কিন্তু জুলুম-নির্যাতন যত বাড়ছে জনতার প্রতিরোধ আন্দোলন ততই তীব্র হতে তীব্রতর হচ্ছে।

জেএ