গাজীপুরবাসী ৮০ বছরের ইতিহাসে এমন ভোট ডাকাতি দেখেনি বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার।
আজ (মঙ্গলবার) নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের হাসান সরকার এ কথা বলেন।
বিএনপি মেয়র প্রার্থী বলেন, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ৪’শর অধিক কেন্দ্রে ভোট জালিয়াতি হয়েছে। আওয়ামী লীগের স্বরূপ উন্মোচন করার জন্যই বিএনপি নির্বাচন বয়কট করেনি বলে জানান হাসান সরকার।
হাসান সরকার অভিযোগ করেন, বিভিন্ন কেন্দ্র দখল ও ভোট জালিয়াতির মাধ্যমে একচেটিয়াভাবে ভোট গ্রহণ হয়েছে গাজীপুরে। বিএনপির এজেন্টদের জোরপূর্বক কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হয়েছে।
ভোটাররা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারেনি। এমন ভোট ইতোপূর্বে গাজীপুরবাসী দেখেনি। এমন নির্বাচনের মাধ্যমে কমিশনকে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে।
এর আগে নির্বাচন চলাকালেই ভোট স্থগিতের দাবি করেছিলেন হাসান উদ্দিন সরকার।
জালভোট-ব্যালট পেপার ছিনতাই: ৭ কেন্দ্রে ভোট স্থগিত
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে জালভোট ও ব্যালট পেপার ছিনতাই’সহ নানা অনিয়মের অভিযোগে ৭ কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে।
আজ (মঙ্গলবার) দুপুর ২টার পর নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা রকিবউদ্দীন মণ্ডল গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, ভোটে নানা ধরনের অনিয়মের অভিযোগে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৩৭২ নম্বর কেন্দ্র টঙ্গীর খরতৈল মনসুর আলী আদর্শ বিদ্যালয়-১, ৩৭৩ নম্বর খরতৈল মনসুর আলী আদর্শ বিদ্যালয়-২, টঙ্গীর বড় দেওড়ার হাজী পিয়ার আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র, ৯৮ নম্বর কেন্দ্র বাসন এলাকার ভোগড়া মধ্যপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২৭৪ বিন্দান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র, ৩৪২ জাহান পাবলিক দত্তপাড়া ও ৬১ এমইএইচ আরিফ কলেজ কোনাবাড়ী কেন্দ্রের ভোট স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।
আজ সকাল ৮টা থেকে এ সিটি কর্পোরেশনের ভোট শুরু হয়েছে। ভোট চলবে একটানা বিকাল ৪টা পর্যন্ত।
এ নির্বাচনে ৪২৫টি কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা ১১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৩৬ জন। ৭ মেয়রপ্রার্থীর পাশাপাশি ২৫৪ সাধারণ কাউন্সিলর ও ৮৪ সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
আরও প্রার্থী থাকলেও গাজীপুর সিটির মেয়র পদে প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হলেন- আওয়ামী লীগের (নৌকা) মনোনীত প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম ও বিএনপির (ধানের শীষ) হাসান উদ্দিন সরকার।
এমবি





