বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানকে ফাঁসি দিতে শাসক গোষ্ঠীর তড়িঘড়িই প্রমান করে রাজনৈতিক ক্রোধে উন্মত্ত হয়ে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।
আজ মঙ্গলবার এক বিবৃতির মাধ্যমে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, রিভিউ পিটিশনের পূর্ণাঙ্গ রায় লেখা হয়নি। রায়ের কপি এখনো আইনজীবীরা হাতে পায়নি এমন পরিস্থিতিতে বিশেষ মহলের অতিউৎসাহ দেশের বিচার ও রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি কুৎসিত নজীর হয়ে থাকবে।
তিনি আরো বলেন, যুগে যুগে ইসলামী আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের শাহাদত ও সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার ন্যায় প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আর ও শানতি করছে। বাংলাদেশকে ইসলামী নেতৃত্ব শূণ্য করতেই দখলদার ফাসিক সরকার দেশের সর্ববৃহৎ ইসলামী সংগঠন জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতেৃত্বকে একের পর এক হত্যা করা শুরু করেছে।
মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান আরো বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশের একটি প্রত্যান্ত এলাকা জামালপুরের আশেক মাহমুদ কলেজের উচ্চ মাধ্যমিকের প্রথমবর্ষের কিশোর ছাত্র কিভাবে যুদ্ধাপরাধ করতে পারে।
মুহাম্মদ কামারুজ্জামান ১৯৭৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে প্রথম বিভাগে এমএ পাস করে পেশাদার সাংবাদিকতা শুরু করেন। দেশের অন্যতম প্রাচীন দৈনিক সংগ্রামের নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, অবৈধ সরকারের পদত্যাগের দাবীতে দেশের ১৬ কোটি মানুষ প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। এই মুহূর্তে মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের রায় কার্যকরের নামে তাকে হত্যা করে জনগণের দৃষ্টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে সরকার ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়।
এ ধরনের কোন ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন হলে আওয়ামী লীগকে ইতিহাসের করুণ পরিণতি বরণ করতে হবে। সরকারের ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে প্রতিবাদী জনতা। দেশবাসী তাদের সর্বশক্তি নিয়ে রাজপথে ঝাঁপিয়ে পড়েছে।
এসএইচ





