মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের সঙ্গে দেখা করতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে গেছেন তার আইনজীবীরা।

শনিবার বেলা এগারটা ৫ মিনিটে জেলগেটে পৌঁছান মুজাহিদের পাঁচ আইনজীবী। পরে তারা কারাগারের ভেতরে যান। আইনজীবীরা হচ্ছেন-শিশির মনির, মশিউল আলম, কামাল উদ্দিন, নজিবুর রহমান এবং মতিউর রহমান আকন্দ।

কারাফটকে কর্মরত ‍সুবেদার লাল মিয়া জানান, মুজাহিদের সঙ্গে কথা বলতে তার আইনজীবীদের ৩০ মিনিট সময় দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র সুপার ফরমান আলী জানান, শনিবার বেলা ১১টা ২০মিনিট থেকে ১১টা ৫০মিনিট পর্যন্ত আইনজীবীরা মুজাহিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

আইনজীবীরা দেখা করতে আবেদন জানিয়েছেন বলে শুক্রবারিই জানিয়েছিলেন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ সুপার ফরমান আলী।

শিশির মনির বলেছিলেন, আপিল বিভাগের রায় নিয়ে মুজাহিদ কী ভাবছেন, সে বিষয়ে জানতে দেখা করতে চাইছেন তারা।

মঙ্গলবার আপিল মামলার চূড়ান্ত রায়ে ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মুজাহিদের মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রেখেছেন সু্প্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ মুজাহিদের আপিল আংশিক মঞ্জুর করে বুদ্ধিজীবী হত্যার দায়ে তার মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। ২০১৩ সালের ১৭ জুলাই এ রায় দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

এখন মুজাহিদ আপিলের রায় পর্যালোচনায় আবেদন করতে পারেন, যে জন্য সুযোগ রয়েছে ১৫ দিন। পূর্ণাঙ্গ রায় হাতে পাওয়ার পর তা করা হবে বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।

রিভিউ খারিজ হলে জামায়াত নেতার কাছে সুযোগ থাকবে রাষ্ট্রপতির কাছে দণ্ড মওকুফের আবেদন করার।

মুজাহিদের আগে তার দলের নেতা আব্দুল কাদের মোল্লা ও মো. কামারুজ্জামানের রিভিউ আবেদন খারিজ হয়েছিল। তারা রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা না চাওয়ার পর দুজনের দণ্ড কার্যকর করা হয়।

এএইচ