ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো: ফরিদুল হক খান বলেছেন, বিগত ২০১৮, ২০১৯ ও ২০২০ সালে বড়দিন উপলক্ষে সমগ্র বাংলাদেশে উপাসনালয়গুলোর জন্য খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের অনুকূলে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণতহবিল থেকে আড়াই কোটি টাকার বিশেষ অনুদান প্রদান করা হয়েছে।

শুক্রবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। খবর বাসস’র।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান বলেন, বাংলাদেশে মুসলমান হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সম্প্রদায়কে নিজ নিজ ধর্মপালনে সরকার সমান সুযোগ দিয়ে থাকেন। দেশবাসী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছে।

তিনি বলেন, সবার অংশগ্রহণে ও ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে উন্নত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব।

উল্লেখ্য, ১৯৮৩ সালে খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট বিষয়ক অধ্যাদেশ জারির ২৬ বছর পর ৫ নভেম্বর ২০০৯ সালে খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করা হয়। সরকার ২০১১ খ্রিস্টাব্দের জুলাই মাসে ট্রাস্টের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ৫ কোটি টাকার এনডাওমেন্ট তহবিল ছাড়পূর্বক ট্রাস্টের নামে ১টি স্থায়ী আমানত করেছে। ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠার পর বিগত ১০ বছরে ট্রাস্ট তহবিলের মুনাফা থেকে দেশের ৪ শ’ ১৭টি চার্চকে ২ কোটি ১৬ লাখ ২৩ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করা হয়েছে।

পালক-পুরোহিতদের দক্ষতাবৃদ্ধির জন্য ৬টি এবং ছাত্র-যুবকদের নীতি-নৈতিকতা বিষয়ক ১৪টি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এতে ৪ শ’ ৪৬ জন পালক-পুরোহিত এবং ৯ শ’ ৬৬ জন ছাত্র-যুবক অংশগ্রহণ করেছে।

অন্যান্যের মধ্যে ধর্মসচিব মো: নুরুল ইসলামসহ খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি উইলিয়াম প্রলয় সমদ্দার, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি উত্তম শর্মা, ট্রাষ্টি সুপ্ত ভূষণ বড়ুয়াসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন মন্দিরের পুরোহিত এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

পরে প্রতিমন্ত্রী নগরীর ষোলশহরে চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা এ বি এম মহিউদ্দীন চৌধুরীর কবর জিয়ারত করেন।

এমবি