পাহাড়ি ঢল ও অতিরিক্ত বর্ষণে রংপুর, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, ফেনী, নেত্রকোনা, শেরপুর ও বগুড়া জেলায় বন্যায় ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জামায়াতে ইসলামী।
দলের ভারপ্রাপ্ত আমীর মকবুল আহমাদ রোববার এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি বন্যার্তদের দ্রুত ত্রাণ সহায়তা দিতে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা, স্বচ্ছল ব্যক্তি এবং বিশেষভাবে জামায়াতের নেতাকর্মীসহ সবার প্রতি আহবান জানান।
বিবৃতিতে মকবুল আহমাদ বলেন, “পাহাড়ি ঢল ও অতিরিক্ত বৃষ্টি বর্ষণে রংপুর, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, ফেনী, নেত্রকোনা, শেরপুর ও বগুড়া জেলায় বন্যায় ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিতে আমি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। বন্যায় বহু লোক পানি বন্দী হয়ে পড়েছে।
একমাত্র রংপুর জেলায়ই লক্ষাধিক লোক পানি বন্দী হয়ে পড়েছে। তাদের দ্রুত উদ্ধার করে নিরাপদ জায়গায় স্থান দেয়া প্রয়োজন। সেই সাথে বিনা মূল্যে খাদ্য, পানীয়সহ নিত্য-প্রয়োজনীয় দ্রব্য এবং অসুস্থদের চিকিৎসা ও ওষুধ সরবরাহ করা প্রয়োজন।
বন্যার পানিতে বহু কাঁচা ঘরবাড়ি ডুবে গিয়েছে। মানুষ অন্যত্র আশ্রয় গ্রহণ করেছে। বন্যার পানিতে আধা পাকা আউশ ধান তলিয়ে গিয়েছে, বীজ ও শাক-সব্জির ক্ষেত ডুবে গিয়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
বন্যার পানিতে অনেকের পুকুরের মাছ ভেসে গিয়েছে। বন্যাদুর্গত অঞ্চলের মানুষ ক্ষুধার তাড়নায় হাহাকার করছে। সরকারের ত্রাণ তৎপরতা লক্ষ্য করার মত নয়। এ অবস্থায় বন্যাদূর্গত লোকদের সাহায্যে এগিয়ে আসা সকলের কর্তব্য।
তাই বন্যাদূর্গত লোকদের সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসতে আমি সকল স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা, স্বচ্ছল দানশীল ব্যক্তি এবং বিশেষভাবে জামায়াতের নেতাকর্মীসহ সকল জনশক্তির প্রতি আমি উদাত্ত আহবান জানাচ্ছি।
এআর





