বিএনপির নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের আওয়াজ শুনে অবৈধ সরকারের লোকজন ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েছে মন্তব্য করে বিএনপির দফতরের দায়িত্বে থাকা যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ বলেছেন, তাদের মন্ত্রীদের হুংকার যেন স্বৈরাচারী শাসকদের চেয়েও জঘন্য।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার মন্ত্রীরা যা বলছে এটি নতুন কিছু নয়, বিরোধী দলের আন্দোলন নিয়ে স্বৈরাচারী আইউব, টিক্কা খান ও এরশাদের মন্ত্রীরাও এভাবে কথা বলতেন।
শনিবার দুপুরে দলের নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
আওয়ামী লীগকে অপরাধী শাষক দল আখ্যায়িত করে রিজভী বলেন, এদের আর কোনোভাবেই দেশ পরিচালনার অধিকার নেই। এই অপরাধি শাষকদের হটানোর জন্য রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি ঘোষণা করবেন। তবে শাষকদল যদি অস্ত্রের ভাষা প্রয়োগ করে তখন তো আর খালি হাতে দাড়িয়ে থাকা যায় না। তখন প্রয়োজনে ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করতেই হবে।
তিনি বলেন, জনবিচ্ছিন্ন সরকার প্রতিবারের মত এবারো দেশের জনগনকে শান্তিতে ঈদ করতে দেয়নি। যার কারণে ঈদের মধ্যেও সন্ত্রাসীদের হাতে মানুষকে জীবন দিতে হয়েছে। শ্রমিকরা বেতন না পেয়ে অনশনরত অবস্থায় ঈদ পালন করেছে।
আন্দোলন বিষয়ে তিনি বলেন, বিএনপির আন্দোলনের ঐতিহ্য রয়েছে। স্বৈরাচারী এরাশাদ বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনেই নেতৃত্ব দিয়েছে বিএনপি। তাই বিএনপি আন্দোলন করতে পারবে না এমন ধারনা হটকারী আওয়ামী লীগ করতেই পারে। কারণ তারা ছিয়াশি সালে এরশাদের সঙ্গে আঁতাত করে আন্দোলন থেকে সরে দাড়িয়েছিল।
আন্দোলন কবে হবে? এমন প্রশ্নের জবাবে রিজভী বলেন, খুব শিগ্রই নীতি নির্ধারকদের বৈঠকে কর্মসূচি প্রণয়ন করা হবে। সেটি দেশবাসীসহ সবাইকে যথা সময়ে জানিয়ে দেয়া হবে। কেননা জবর দখলকারী ভোট ডাকাতদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ এখন অত্যন্ত জরুরি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক কাজী আসাদুজ্জামান আসাদ, সহ-দফতর সম্পাদক আব্দুল লতিফ জনি প্রমুখ।
ঢাকা,এমএইচ,০২ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম,এএইচ





