শনিবার ( ২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ-পূর্ব গেটে চলমান ইসলামী বই মেলা পরিদর্শনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেছেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে বইয়ের পরিবর্তে মাদকের আড্ডা খানা বানিয়েছে। হলগুলোকে বানিয়েছে অস্ত্রের গোডাউন। গত ১৫ বছর আওয়ামী লীগ ইসলামী বই মেলা করতে দেয়নি। আলেমদের হাতে কুরআন আর হাদিস পেলে পুলিশ আটক করে তাদেরকে জঙ্গি সাজিয়ে মামলা দিয়ে জুলুম নির্যাতন চালিয়েছে। মাদরাসার ছাত্রদের ধরে নিয়ে জঙ্গি উপাধি দিয়েছে। শিশু-শিক্ষার্থীরাও আওয়ামী লীগের হামলা-মামলা থেকে রক্ষা পায়নি।’

ড. মাসুদ বলেন, ‘ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগের বিদায়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক বিজয় হয়েছে।’

ইসলামী বই অধ্যায়নের মাধ্যমে ইসলামী জ্ঞান আহরণ করে ইসলাম প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা পালনে তিনি উপস্থিত দর্শনার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘শেখ হাসিনা নামাজ ও কুরআন তেলওয়াত নিয়েও জাতির সাথে মিথ্যাচার করেছে। শেখ হাসিনা বলতো, তিনি নাকি তাহাজ্জুতের নামাজ পড়েন, ফজরের নামাজ শেষে কুরআন পাঠ করে দেশ পরিচালনা করেন। কিন্তু শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর বহু ছাত্র গণভবনে তার জায়নামাজ আর কুরআন খুঁজেছে। কিন্তু সেটি পাওয়া যায়নি। শেখ হাসিনা বই পড়তেন না বলেই ছাত্রদের হাতে বই না দিয়ে অস্ত্র দিয়েছে। আগামীতে ছাত্রদের হাতে বই আর কলম থাকবে। কোনো ছাত্র পরিবারের জন্য বোঝা হবে না। মাদক নিয়ন্ত্রণ নয়, বাংলাদেশ থেকে মাদক নির্মূল করা হবে।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন, পল্টন দক্ষিণ থানা আমির শাহীন আহমেদ খান, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদের সদস্য এস এম কামাল উদ্দীন, প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সমন্বয়ক আবদুস সাত্তার সুমন প্রমুখ।

পরে নেতারা বই মেলার স্টল ঘুরে ঘুরে ব্যবসায়ী ও আগত দর্শনার্থীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি