বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, জাতি যখন নারায়ণগঞ্জের ঘটনায় ক্ষুদ্ধ, স্তব্ধ তখন স্থানীয়দের আমন্ত্রণে সমবেদনা জানাতে সেখানে যেতে বিএনপি চেয়ারপারসনকে বাধা দেওয়া হচ্ছে। ১৪ মে সেখানে সমাবেশ করার কথা প্রথমে মৌখিক অনুমতি থাকলেও পরে নিরাপত্তার অযুহাতে মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী তা বাতিল করেন। এ বাধা দেওয়া গণতন্ত্রকে বাধা দেওয়ার শামিল। আশা করি তিনি সময়ের প্রয়োজন বিবেচনা করে অনুমতি দিবেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যায়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানির উদ্দেশ্যেই দুদকের করা হয়রানি মূলক মিথ্যা মামলার কার্যক্রম আদালত পরিবর্তন করে বকশীবাজারের আলীয়া মাদ্রাসা মাঠে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
মির্জা ফখরুল বলেন,খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দুদকের দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার মেরিট এমনিতেই প্রশ্নবিদ্ধ। আমরা আগেই বলেছি এই মামলাটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রনোদিত হয়ে করা হয়েছে। তাদেরকে রাজনীতি থেকে, নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে এই মামলা করা হয়েছে। আমরা বলতে চাই, এভাবে বিরোধীদলীয় নেত্রীকে হয়রানি করে, মামলা দিয়ে স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে জনগনের আন্দোলন বন্ধ করা যাবেনা। তারা আবারও প্রমান করেছে তারা দেশে একদলীয় বাকশালী শাসন ফিরিয়ে আনতে চায়।
বিএনপির এই নেতা বলেন, গণতান্ত্রিক ধারাকে ব্যহত করতেই বিরোধী নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে। এবং এসব মামলায় তাদেরকে হয়রানি করা হচ্ছে। চিকিৎসা করাতে বিদেশ যেতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। যেমনিভাবে গতকাল বাধা দেওয়া হয়েছে ঢাকা মহানগর আহ্বায়ক সাদেক হোসেন খোকাকে।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, সাদেক হোসেন খোকা, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব এ্যাড.রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবীর খোকন, সহ-দপ্তর সম্পাদক আব্দুল লতিফ জনি প্রমুখ।
[b]ঢাকা,এমএইচ, ৮ মে (টাইমনিউজবিডি.কম)// এনএস[/b]





