রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সাংবাদিকদের ঐক্যের প্রশংসা করে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেছেন, জাতীয় প্রেসক্লাব জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। আজ সেখানেও দেখছি বিভেদ শুরু হয়েছে, যা দুঃখজনক।

রোববার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) ফল উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। পরে মন্ত্রী ফলাহারের মাধ্যমে ফল উৎসবের উদ্ধোধন করেন।

মেনন বলেন,রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, আগামীতেও আশা করি আপনারা এগিয়ে যাবেন। আপনারা কোনো বিভাজনে জড়াবেন না।’

তিনি বলেন, ডিআরইউর বিভিন্ন সেবামূলক কর্মকাণ্ড বিশেষ করে গ্রুপ ইন্সুরেন্স আর্থিক সহায়তা কর্মসূচির প্রশংসা করেন।

ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি বলেন, ডিআরইউ শুধুমাত্র রিপোর্টারদের সংগঠনই নয়, সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক কর্মকাণ্ডেও তারা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

তিনি একজন লেখক ও রাজনীতিক হিসেবে সাংবাদিক সমাজের সঙ্গে তার গভীর সম্পর্কের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, জাতীয় প্রেসক্লাব সাংবাদিক সমাজের ঐতিহ্যবাহী একটি সংগঠন। এই সংগঠনটির সাম্প্রতিক বিভাজন দুঃখজনক।

ডিআরইউ সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশার সভাপতিত্বে ফল উৎসবে আরো বক্তৃতা করেন- ডিআরইউর সাবেক সভাপতি শাহেদ চৌধুরী, যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম, ডিআরইউর সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাবান মাহমুদ প্রমুখ।

আম, জাম, কাঠাল, লিচুসহ ফরমালিন মুক্ত ২৩ রকমের ফল নিয়ে মধুমাস জ্যৈষ্ঠ্যের বিদায় মুহূর্তে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এই ফল উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফল উৎসবে ঢাকায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত পেশাদার সাংবাদিক এবং তাদের পরিবারের সদস্যরাও যোগ দেন।

এআর