বাঙালির অনুপ্রেরণার উৎস মহীয়সী নারী বঙ্গমাতা বেগম শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৮৪তম জন্মবার্ষিকী আগামীকাল শুক্রবার।
১৯৩০ সালের ৮ আগস্ট গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় সম্ভ্রান্ত শেখ পরিবারে জন্মগ্রহন করেন তিনি। তার বাবা শেখ জহুরুল হক ও মা হোসনে আরা বেগম।
বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মাতা।
বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব রাজনীতিতে সক্রিয় না থাকলেও সারা জীবন বঙ্গবন্ধুকে অনুপ্রেরণা, শক্তি, সাহস ও মনোবল যুগিয়েছেন।
টুঙ্গীপাড়ার অজপাড়াগাঁয়ের সন্তান শেখ মুজিব ধীরে ধীরে শুধুমাত্র বাঙালি জাতির পিতাই নন, বিশ্ব বরেণ্য রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হয়েছিলেন। যার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন তারই সহধর্মিনী, মহিয়সী নারী বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব।
বঙ্গবন্ধুর পুরো রাজনৈতিক জীবনে ছাঁয়ার মতো লেগে থেকে তাঁর প্রতিটি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে প্রেরণার উৎস হয়েছিলেন বেগম মুজিব। ছয় দফা ঘোষণার পর বঙ্গবন্ধু যখন বার বার পাকিস্তানিদের হাতে বন্দি জীবন-যাপন করছিলেন, তখন দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা তার কাছেই ছুটে আসতেন। এসময় তিনি তাদেরকে বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা পৌঁছে দিতেন এবং লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার জন্য অনুপ্রেরণা যোগাতেন।
আগরতলা যড়যন্ত্র মামলায় যখন তার প্যারোলে মুক্তি নিয়ে দলের কিছু কুচক্রী স্বাধীনতা সংগ্রামকে বিপন্ন করার ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছিলেন, তখন প্যারোলে মুক্তির বিপক্ষে বেগম মুজিবের দৃঢ়চেতা অবস্থান বাংলার মুক্তি সংগ্রামকে ত্বরান্বিত করেছিল। যা বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
এই মহীয়সী নারী ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাথে সপরিবারে খুনিচক্রের বুলেটের আঘাতে নির্মমভাবে শহীদ হন। জাতির পিতার আমৃত্যু সঙ্গী, বাংলার মহিয়সী নারী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৮৪তম জন্ম বার্ষিকী আওয়ামী লীগ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করবে। এই দিবসটি পালন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ নিম্নলিখিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
তাদের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, সকাল সাড়ে ৮টায় বনানী কবরস্থানে বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব স্মরণে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ, কোরআনখানি, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল। বাদ আছর ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মহিলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে মিলাদ, দোয়া ও আলোচনা সভা।
ঢাকা, এমআর, ৭ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এআর





