সমৃদ্ধ ও কল্যাণমূলক একটি রাষ্ট্র জাতির বহু দিনের প্রত্যাশা। কিন্তু আদর্শহীন নেতৃত্ব জাতিকে বরাবরই হতাশ করে চলেছে।

জাতির এ প্রত্যাশা পূরণে ছাত্রশিবিরকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। কাঙ্খিত দেশ গড়তে আদর্শিক নেতৃত্ব তৈরী করতে হবে। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক তিনি এ কথা বলেনঅ।

তিনি ফেনীতে ছাত্রশিবির ফেনী জেলা শাখার উদ্যোগে সাথী শিক্ষা শিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

জেলা সভাপতি কফিল উদ্দিন মাহমুদের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি আব্দুল গফুরের পরিচালনায় শিক্ষা শিবিরে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় মজলিশ শূরা সদস্য অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভুঞা, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক খালেদ মাহমুদ, মিডিয়া সম্পাদক মনিরুল ইসলামসহ আরো অনেকে।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, সমৃদ্ধ সোনার বাংলা স্বপ্ন কোন অবাস্তব চাওয়া নয়। সমৃদ্ধি অর্জনের সকল যোগ্যতা ও সম্পদ আমাদের আছে। কিন্তু যুগের পর যুগ পেরিয়ে গেলেও সেই প্রত্যাশা আজও পূরণ হয়নি। দেশে পর্যাপ্ত মেধা সম্পদ থাকার পরও জাতির প্রত্যাশিত অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

মেধাবী শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়লেও প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা জাতিকে কাঙ্খিত নাগরিক উপহার দিতে পারছে না। কেননা প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থা ইসলামী আদর্শকে ধারণ করে না। ফলে নৈতিকতার জায়গাটি শুন্যই থেকে যাচ্ছে। যার প্রতিফলন হচ্ছে আদর্শহীন নেতৃত্বে রাষ্ট্র পরিচালনায়।

তিনি বলেন, নৈতিকতাহীন মেধা যে কখনো জাতির কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না বাংলাদেশ তার অন্যতম দৃষ্টান্ত। আর কুরআনের আলোকে জীবন গঠন ছাড়া নৈতিকতা সম্পন্ন কল্যাণময় জীবনও গঠন সম্ভব নয়। ছাত্রশিবির প্রতিটি মেধাবীকে জাতির কাঙ্খিত নেতৃত্ব হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। তাই নেতাকর্মীদের প্রতিটি মূহুর্তকে কাজে লাগাতে হবে। জ্ঞান-বিজ্ঞান ও নৈতিকতার ভিত্তিতে উপযুক্ত জনশক্তি গড়ে তুলতে হবে।

এএস