অতীতে ভারত বিরোধীতার জন্য বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে নাকে খত দিয়ে জনগনের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে বলে মন্তব্য করেন,আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড.হাসান মাহমুদ।
মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ও ভারতের স্থল সীমান্ত বাস্তবায়নের জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ।
খালেদা জিয়ার উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, অতীতে আপনি সীমান্ত চুক্তিকে গোলামীর চুক্তি বলে আখ্যায়িত করেছিলেন। কিন্তু এখন সেই আপনিই এ চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য ভারতের নেতৃত্বকে স্বাগত জানিয়েছেন। অতীতের ঘটনার জন্য নাকে খত দিয়ে জনগনের কাছে ক্ষমা চাওয়া প্রয়োজন।
এ চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য আপনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, সোনিয়া গান্ধীও মমতা ব্যানার্জীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। অথচ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানাননি। এতে তিনি কদর্য ও হীনমন্যতার পরিচয় দিয়েছেন।
খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনি ঘর গোছান, ১৯ সালের নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিন। কিন্তু পেট্রোল বোমা মেরে বাংলাদেশের মানুষ হত্যা করলে পরিণতি হবে ভয়াবহ।
সংগঠনের সভাপতি এম এ জলিলের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা অধ্যাপক ফজলুল হক,মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই কানু,বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা প্রমুখ।
এমএ/এসএইচ





