প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান পাকিস্তানের এজেন্ট হয়ে দেশ পরিচালনা করেছেন। তিনি পরোক্ষভাবে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। জিয়ার এসব অপকর্মের মরণোত্তর বিচার হবে বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।
মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ আয়োজিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৩৯তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, রশিদ এবং ডালিমরা বঙ্গবন্ধুকে খুন করেছেন। কিন্তু খুনিদের যারা ঐক্যবদ্ধ করেছেন তারা বড় খুনি। ক্ষমতায় থেকে জিয়া বঙ্গবন্ধুর খুনিদের সম্মানিত করেছেন।
জিয়াকে ‘বাইচান্স’ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আখ্যায়িত করেন মন্ত্রী।
অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনিদের জিয়া বিভিন্ন দূতাবাসে বসান। জাতির পিতা এবং পরিবারের সদস্যদের হত্যা ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত ছিলেন জিয়া।
তিনি বলেন, বাঙালি জাতির লিখিত ইতিহাসে না থাকলেও, জাতির মননে জিয়া বঙ্গবন্ধুর হত্যার বেনিফিশিয়ার।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি প্রফেসর ড. আব্দুল মান্নান চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ মো. শাজাহান আলম সাজু। আরও বক্তব্য রাখেন প্রফেসর মনিরুজ্জামান, অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান, অধ্যক্ষ এম এ আউয়াল সিদ্দীক, অধ্যক্ষ আব্দুর রশিদ, উপাধ্যক্ষ হরিচাঁদ মণ্ডল সুমন প্রমুখ।
ঢাকা, ১৯ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএইচ





