ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল বলেছেন, ‘আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে, পেছনে ফিরে যাওয়ার জায়গা নেই। আমরা মরতে শিখেছি। আমাদের মারার কিছু নাই। আমাদের বহু ভাই রাষ্ট্রীয় নির্যাতনে শহীদ হয়েছেন। সেই ভাইদের আত্মত্যাগকে আমরা বৃথা যেতে দিতে পারি না। আমাদের নেতা তারেক রহমান আগামী দিনে যে আন্দোলনের ডাক দিবেন। ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার, গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার যে কর্মসূচি ঘোষণা করবেন সেখানে আমরা আমাদের সর্বোচ্চ ত্যাগ দিয়ে উপস্থিত থাকব ইনশাআল্লাহ।’
রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে গণতন্ত্র ফোরাম আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
শ্যামল বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ‘বীর উত্তম’ খেতাব প্রাপ্ত। তার এই খেতাব কে দিয়েছেন? স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় কারা ছিল? তারাই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে জাতির বীর উত্তম খেতাব দিয়েছিল। তাহলে বর্তমানে কেন বলা হয় যে তিনি মুক্তিযুদ্ধ করেননি? যদি তিনি মুক্তিযোদ্ধা না হয়ে থাকেন তাহলে তাকে কেন ‘বীর উত্তম’ খেতাব দেয়া হলো? তাহলে ওই সময় যারা রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিল তারা অবশ্যই একটা অবৈধ কাজ করেছে। ওই সময় যারা রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিল তাদের মরণোত্তর বিচার আমরা দাবি করি।
তিনি বলেন, আমরা যারা জাতীয়তাবাদে বিশ্বাস করি তাদের দিন শুরু হয় কোর্টের বারান্দায় হাজিরা দিয়ে। এ সরকার এক বা একাধিক মামলা দিয়ে আমাদেরকে হয়রানি করছে। কারণ আমরা প্রকৃত গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার আন্দোলন করছি।
আদালতের রায়ে দেশের গণতন্ত্র হত্যা করা হয়েছে মন্তব্য করে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল বলেছেন, ‘আদালতের রায় দিয়ে দেশের স্বাধীনতা আসেনি। কিন্তু আদালতের রায় দিয়ে দেশে গণতন্ত্র হত্যা করা হয়েছে। যারা এই গণতন্ত্র হত্যা করেছে তাদের বিচার এক দিন এদেশের মাটিতে হবে ইনশাআল্লাহ।’
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি খলিলুর রহমান ইব্রাহিমের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন সিরাজীর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, সাবেক সংসদ সদস্য মাসুদ অরুন, মৎসজীবী দলের সদস্য সচিব আব্দুর রহিম, ওলামাদলের আহ্বায়ক মাওলানা শাহ মো: নেছারুল হক, ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক তবিবুর রহমান সাগর প্রমুখ বক্তব্য দেন।
এবিএস





