রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে লালবাগ থানা বিএনপি-যুবদলের দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। এতে এক পুলিশ সদস্যসহ ছয়জন আহত হয়েছেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।

বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন আহম্মেদ পিন্টু গ্রুপ ও সাবেক কাউন্সিলর মীর আলী আজম গ্রুপের মধ্যে সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মহানগর বিএনপির লালবাগ থানার ৬২নং ওয়ার্ডের প্রথম যুগ্ম-সম্পাদক আনিসুর রহমান, একই ওয়ার্ডের কর্মী কামরুল ইসলাম, সোহেল রানা, ৬০নং ওয়ার্ডের কর্মী ইমন ও ৬১নং ওয়ার্ডের কর্মী মাসুদ পারভেজ। এছাড়া ইটের আঘাতে আহত হয়েছেন এরশাদ নামে এক পুলিশ কনস্টেবল।

প্রত্যক্ষদর্শীর জানান, সোমবার দুপুরে নয়া পল্টনে ভাসানী মিলনায়তনে লালবাগ থানা বিএনপির কর্মিসভার আয়োজন করা হয়। কর্মিসভায় যোগ দিতে লালবাগ থানা বিএনপির প্রায় চার-পাঁচশ নেতাকর্মী ভাসানী মিলনায়তনে জড়ো হয়।

এসময় হঠাৎ করেই আলতাফ ও আজম গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়।

পরে ভাসানী মিলনায়নের নিচের রাস্তায় নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে লিপ্ত হন। এসময় দু’গ্রুপে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এতে এক পুলিশ সদস্যসহ ছয়জন আহত হয়। এ সময় বেশকিছু চেয়ার ভাঙচুর করেন নেতাকর্মীরা।

তবে সংঘর্ষের ঘটনায় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের কর্মীরা জড়িত বলে অভিযোগ করেছে দু’পক্ষই।

এ বিষয়ে লালবাগ থানা বিএনপির আহ্বায়ক আলতাফ বলেন, ‘আমাদের সুন্দর কর্মিসভা নষ্ট করতে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের কর্মীরাই এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটিয়েছে। এর সঙ্গে বিএনপির কোনো নেতাকর্মী জড়িত নয়।’

পরে কর্মিসভা দুপুর ১২টার পর শুরু হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব বরকতউল্লাহ বুলু উপস্থিত রয়েছেন।

কেএইচ/এসএইচ