চলতি বছর অনুষ্ঠিত জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম হানা।
তিনি বলেছেন, জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে অতি অল্প সংখ্যক ভোটার অংশ নেয়। ডিসেম্বরেই নির্বাচনে পর্যবেক্ষক না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এই নির্বাচনের পরও কয়েকটি স্থানীয় নির্বাচন হয়েছে। এগুলোও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে প্রতারণা ও জালিয়াতির কারণে।
মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর হোটেল রূপসী বাংলায় ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েসন বাংলাদেশ (ডিকাব) আয়োজিত ‘ডিকাব টক’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
হানা আরও বলেন, আমরা নির্বাচন কমিশনকে সংবিধানের অধীনে স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতে চাই। যাতে তারা সব ধরনের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে পারে।
তিনি বলেন, গণতন্ত্র, মানবাধিকার, বাণিজ্য-বিনিয়োগ ও উন্নয়ন সহযোগিতা হলো বাংলাদেশের সঙ্গে ইইউ’র সম্পর্কের ভিত্তি। গত বছরে বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্র নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচন কেন্দ্রিক সব ধরনের সহিংসতার নিন্দা করি আমরা। আমরা চাই সব ধরনের সমস্যা সংলাপের মাধ্যমে সমাধান হোক।
এসব সমস্যা সমাধানে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহবান জানাই। সংলাপের বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন আগের অবস্থানেই আছে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, সকল সময়ের জন্য সংলাপ দরকার। আমি বিশ্বাস করি, একদিন বাংলাদেশে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো সংলাপের মাধ্যমে ঐক্যমতে পৌঁছাবে।
প্রায় তিন বছর বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে বিদায়কালে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতদের প্রধান উইলিয়াম হানা।
ওই অনুষ্ঠানে হানা বাংলাদেশে কাজ করার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে অনেকটা আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন। বাংলাদেশে কাজের মেয়াদ শেষ হওয়ায় ঢাকায় হানার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন নতুন দূত।
ঢাকা, ১৫ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // এআর





