পহেলা বৈশাখ নিয়ে তথ্যমন্ত্রী ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর দেয়া কুফরী বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা ও প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি করেছে আওয়ামী ওলামা লীগের একাংশের সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসান শেখ শরীয়তপুরি।

আজ শনিবার ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগসহ সমমনা ১৩টি ইসলামিক দলের এক মানববন্ধনে তিনি এ দাবি করেন।

তিনি বলেন, মঙ্গল প্রদীপ জ্বালিয়ে, উলুধ্বনী দিয়ে, শাখা বাজিয়ে, মঙ্গল কলস সাজিয়ে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান শুরু করা হয়। ইনু বামপন্থী তাই তিনি এ কুফরী বক্তব্য দিয়েছেন। এদেশের গণতন্ত্র নস্যাৎ করে সমাজতন্ত্র কায়েমই তার মূল উদ্দেশ্য।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ইনুর মত ধর্মজ্ঞানহীন শক্তি ইসলামী বিষয়ে ফতোয়া দেয় কিভাবে? বামপন্থী ইনুর এ বক্তব্য মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লেগেছে।

বক্তারা আরো বলেন, ইনু আওয়ামী লীগের কাঁধে ভর করে সে তার ঘৃণ্য উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করতে চায়। গণতান্ত্রিক সরকারের মন্ত্রী হয়েও সে সমাজতন্ত্র বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পত্রিকায় কলাম-আর্টিকেল লিখে যাচ্ছে।

বক্তারা আরো বলেন, “পহেলা বৈশাখের নামে চারুকলার গাঁজাখোর মিডিয়া ও পূজিবাদী বেনিয়াগোষ্ঠি বাণিজ্য করছে। ওদের শোষণ থেকে জনগনকে বাঁচাতে হবে। পান্তা ইলিশ বন্ধ করে জাতীয় মাছ ইলিশ রক্ষা করতে হবে এবং হিন্দু ভাবাপন্ন বিতর্কিত ২০১০ সাল কুফরী শিক্ষানীতির আলোকে ২০১৬ শিক্ষা আইন প্রণয়ন করা যাবে না।

২৫ শে মার্চ তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, ‘পহেলা বৈশাখ ও চৈত্র সংক্রান্তির সাথে ইসলামের কোন বিরোধ নেই। এগুলো পালনে মুসলমানিত্ব যায় না।

এছাড়া পহেলা বৈশাখের নামে মুখোশ মিছিল বন্ধে সরকারের নির্দেশনা জারি করার জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানান বক্তারা।

ইআর