আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, আল-হেলাল আদর্শ কলেজ ও ন্যাশনাল হসপিটালসহ চট্টগ্রামের অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, মসজিদ, মাদ্রাসা ও সামাজিক সংগঠন প্রতিষ্ঠার অন্যতম উদ্যোক্তা হযরত মাওলানা মুমিনুল হক চৌধুরী ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না-ইলাইহি রাজিঊন)।
শনিবার ভোর পৌনে ৪টায় হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে মরহুমের বয়স ছিল ৮৬ বছর। তিনি স্ত্রী, ২ পুত্র ও ২ কন্যাসহ বহু-আত্মীয়-স্বজন রেখে গিয়েছেন।
মরহুমের ১ম নামাজে জানাযা সকাল ১১টায় কুমিরার আই.আই.ইউ.সি ক্যাম্পাসে, দ্বিতীয় নামাজে জানাযা দুপুর ২টায় চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক প্যারেড ময়দানে, বিকাল ৫টায় সাতকানিয়া উপজেলার চরতি ইউনিয়নের নিজ গ্রামে তৃতীয় নামাজের জানাযা শেষে তাকে স্থানীয় সামাজিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
শোকবাণী
এদিকে মাওলানা মুমিনুল হক চৌধুরীর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
সংগঠনটির আমীর জনাব মকবুল আহমাদ আজ এক শোকবাণীতে বলেন, মাওলানা মুমিনুল হক চৌধুরীর ইন্তেকালে আমি গভীরভাবে শোকাহত। তার ইন্তেকালে আমি একজন প্রবীণ সহকর্মী ও সাথীকে হারালাম।
বর্তমানে বৃহৎ চট্টগ্রাম অঞ্চলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক কার্যক্রমের উন্নতি ও অগ্রগতির পেছনে তার বিরাট অবদান রয়েছে। তিনি একজন অত্যন্ত সাহসী ও দক্ষ সংগঠক ছিলেন। বিভিন্ন সময়ে গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তিনি আপোষহীন ভূমিকা পালন করে গিয়েছেন। তার অবদানের কথা আমরা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। তার ইন্তেকালে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে তার সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
শোকবাণীতে তিনি শোক-সন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও গুণগ্রাহীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং তাদেরকে ধৈর্য ধারণ করার উপদেশ দেন। (প্রেস রিলিজ)
জেড





