সমকাল পত্রিকার উনিশ পৃষ্ঠায় ‘শিবির ক্যাডার থেকে জঙ্গি নেতা’ শীর্ষক প্রতিবেদনে ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

এক যৌথ প্রতিবাদ বার্তায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত ও সেক্রেটারি জেনারেল মোবারক হোসাইন বলেন, কোন সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ ছাড়াই গ্রেপ্তারকৃত কথিত জঙ্গি সাগরকে ছাত্রশিবিরের ক্যাডার বলে উল্লেখ করেছে সমকাল।

যা সম্পুর্ণ বানোয়াট ও উদ্দেশ্যে প্রণোদিত। তার সাথে ছাত্রশিবিরের দূরতম কোন সম্পর্ক নেই। কোন তথ্যের ভিত্তিতে তাকে শিবিরের সঙ্গে জড়ানো হয়েছে তার কোন উল্লেখ নেই। প্রতিবেদনে সাগরের মা, এলাকার মানুষ এবং পুলিশের বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে কিন্তু তারা কেউই শিবিরের সাথে তার কোন সম্পর্ক ছিল এমন দাবী করেননি।

তিনি বলেন, তাছাড়া সে ছাত্রশিবিরের কোন পর্যায়ের নেতা ছিল তাও উল্লেখ করেননি। এমনকি এ ব্যপারে ছাত্রশিবিরের কোন দায়িত্বশীলের বক্তব্যও নেয়া হয়নি। সুতরাং এটা স্পষ্ট যে ছাত্রশিবিরের ইমেজ ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যে প্রণোদিত ভাবে উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে চাপিয়ে দিতে প্রতিবেদক ছাত্রশিবিরকে জড়িয়েছে।

এর আগেও সমকাল কোন যাছাই বাছাই ছাড়াই ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে মিথ্যা তথ্য অপপ্রচার করে অপসাংবাদিকতার নিকৃষ্ট নজির স্থাপন করেছে। এ দৈনিকটি বরাবরই সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়নে ব্যস্ত। সরকারের মন্ত্রী এমপিদের ভারসাম্যহীন বক্তব্যের প্রতিফলন হয় এখানে। জঙ্গিবাদের সাথে ছাত্রলীগ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নাম সরাসরি আসলেও সমকাল কখনো তাদের নাম আনেনি।

অথচ জঙ্গিবাদের সাথে ছাত্রশিবিরের দূরতম সম্পর্ক না থাকলেও ইনিয়ে-বিনিয়ে বার বার জঙ্গিবাদের সাথে ছাত্রশিবিরকে জড়ানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে। কিন্তু এসব অপপ্রচার সময়ের ব্যবধানে মিথ্যা ও বানোয়াট প্রমাণ হয়েছে। ছাত্রশিবির কখনো জঙ্গিবাদে বিশ্বাস করেনা। ছাত্রশিবির নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনে বিশ্বাস করে। যা দেশবাসী সকলের কাছে স্বীকৃত।

নেতৃবৃন্দ ভবিষ্যতে এমন বানোয়াট অপপ্রচার থেকে বিরত থাকতে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদক ও কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানিয়ে আশা প্রকাশ করেন যে, তারা অত্র প্রতিবাদটি যথাস্থানে ছাপিয়ে সৃষ্ট বিভ্রান্তি নিরসন করবেন।

এএস