বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, শেখ হাসিনা আপনি দেশকে নিয়ে ভাবেন ভারতের দালালী করা ছাড়েন। বাংলাদেশের মানুষের আস্থা ছিল , এই চুক্তির মাধ্যমে সীমান্ত হত্যার বন্ধ করা হবে, তাদের আস্থা ছিল ভারতের অতিরিক্ত শুল্ক তুলে দেওয়ার জন্য, বাংলাদেশের কৃষকের জীবন মরনের সাথে সম্পর্ক আমাদের তিস্তার পানি, আমরা তিস্তা চুক্তির আশায় ছিলাম।
আজ ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউট এ আমারদেশ পত্রিকা বন্ধের ৪ বছর উপলক্ষে এক প্রতিবাদ সংবাদ সম্মেলনে এমনমন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
ফখরুল বলেন, অবৈধ্য সরকারের জুলুমের শিকার আমারদেশ পত্রিকা ও পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদূর রহমান। আ’লীগ কখনও দেশের জন্য কাজ করেনি। বিগত আ’লীগের অমলে ১৯৯৬ সালেও ৪ টা পত্রিকা বাদে অন্য সব পত্রিকা গুলি বন্ধ করে দিয়েছিলেন। আ’লীগ একদলীয় শ্বাসন ও বাকশাল কায়েম করতে পছন্দ করে।
তিনি বলেন, অতি অবিল্বে আমারদেশ পত্রিকা সহ সমগ্র বন্ধ মিডিয়া খুলে দেওয়া হোক। বর্তমান দেশে বিনিয়োগের এক ধরনের হাহাকার চলছে। এ দুরবস্থা দীর্ঘদিনের পদে পদে নানা প্রতিবন্ধকতার ও বিভিন্ন সমস্যার কারণে বিনিয়োগের জন্য এগিয়ে আসছেন না বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাও বিভিন্ন শ্রেনীর লোকেরা। তাদের মতে বর্তমান দেশের রাজনৈতিকও অর্থনৈতিক অবস্থা ভাল না। পৃথীবির অন্যান্য উন্নয়নশীল ও উন্নত দেশ বেসরকারি খাতকে শক্তিশালী করতে যেসব পলিসি বা নীতি গ্রহণ করে থাকে তার অনেক কিছুই নেই বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের।
বর্তমান বাংলাদেশের সরকার অবৈধ্ ভাবে ক্ষমতায় থাকার জন্য ভারতের গোলামী করছেন। তিনি শুধু ভারতকে কি দিবে বা কি ভাবে মেনেজ করা যাবে, সেই চিন্তায় সব সময় মগ্ন থাকেন। আমরা বলেছি আপনি পারলে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী যেন ,আর আমার বাংলাদেশের কোন মানুকে হত্যা না করে। আমার বলেছি পারলে তিস্তা চুক্তি করেন, দেশের ক্ষতি হবে এমন কোন চুক্তি করবেন না। আপনি সামরিক চুক্তি কেন করবেন এই দেশের জন্য কি সমরিক চুক্তির কোন প্রয়োজন আছে বলে আমার বোধগাম্য নয়। আমরা ছোট দেশে হলেও কি হয়েছে, ভারত আমাদের থেকে অনেক পিছিয়ে আছে বলে মন্তব্য করেন। বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র ১৯৭১ সালে গোলামী করার জন্য এই দেশের জন্ম হয় নাই। আমরা স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক আমরা কেন ভারতের গোলামী করব। ভারত আমাদের কাছ হতে শুধুই নিয়ে যাবে কিছুই দিবেনা সেটা হতে পারেনা। আমরা তো অনেক আগে হতে ভারত কে দিয়ে এসেছি, প্রশ্ন হল ভারত কি দিলো আমাদের দেশকে ?। বাংলাদেশ কি কুড়িয়ে পাওয়া দেশ নাকি ভারতের কাছ হতে ভিক্ষা করা হয়েছে। তিনি আর বলেন , অত্যান্ত দূরভাগ্য আমাদের ,আমরা ২০০৯ সাল থেকে বলে এসেছি, যে তিস্তার পানি আমাদের জীবন মরনের সাথে সর্ম্পক, আপনি সেদিকে খেয়াল না রেখে, কোথায় ভারত থেকে অস্ত্র কিনবেন, সামরিক চুক্তি করবেন, অবৈধ্য ভাবে ক্ষমতায় থাকবেন। প্রশ্নটা হল কেন ? পৃথীবিতে আর কোন দেশ নায়? । ভারত থেকে যদি আমরা অস্ত্র কিনে আনি তাহলে আমরা ভারতের সাথে মোকাবেলা করব কিভাবে।
মির্জা ফখরুল বলেন , ১৯৯৬ সালেও আ,লীগ এমন করছিল সেই সময় ও তারা বাকশাল কায়েম করতে চেয়েছিলো। কিন্তু বাংলার জনগণ মেনে নিয়েছিলনা। আ,লীগ দেশের জন্য কখনও কাজ করেনি করেছে শুধু কিছু পলিছি। আ’লীগ এক দলীয় শ্বাসন করতে চায়। তিনি বলেন, আমাদের নেতা কর্মীদেরকে বিভিন্ন ভাবে তারা নির্যাতন, নিরর্মম ভাবে গুলি করে হত্যা করেছেন। বর্তমান সরকার তার পুলিশ লীগের, ধান্দা বাড়িয়ে দিয়েছেন তারা সাধারন মানুষকে ধরে বলে টাকা না দিলে জঙ্গী বলে মেরে ফেলবো এমন হাজার হাজার প্রমাণ জাতীয়তাবাদি দলের কাছে আছে। আরো অনেক কষ্টের কথা আমাদের নেতাদের ধরে বলে আগে টাকাদে নতোবা মেরে ফেলবো । এই ভাবে অনেক নেতাদের মেরে ফেলছে এই অবৈধ্য সরকার ।
তিনি আরো বলেন, আমার দেশ পত্রিকার মাহামুদূর রহমান হল একজন কঠিন আপষহীন নেতা, তিনি কখনও বাকশাল সরকারের কাছে মাথা নত করে নায়। মির্জা ফখরুল বলেন , আমারদেশ পত্রিকা সহ বন্ধ সকল মিডিয়া খুব শ্রিঘ্যই খুলে দেওয়া হোক, আর যদি না দেওয়া হয় তাহলে ,এই অবৈধ্ বাকশাল সরকারকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে কঠিন আন্দলনের মাধ্যমে পতন করা হবে বলে হুশিয়ারি করেন।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, আমির খোসরু চৌধুরী, হাবিবুর রহমান খান সোহেল, প্রফেসার ডঃ জাহিদ হাসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি, ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ, আমার দেশ প্রত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, প্রফেসার কবির, প্রফেসার সেলিম, হেলাল,,মাজাহার (কবি),সেলিনা আক্তার,প্রমুখ অনেকে সংবাদ প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন।
এমই/খাজা





