যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চলছে, চলবে এবং এদের রায় বাংলার মাটিতেই কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার বিকালে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ৪২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর পূনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, '৭১ রে যারা স্বজন হারিয়েছে, আমরা তারেকে সুখ দিতে চাই। যারা খুন করেছে তাদের কে নয়। আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার অঙ্গিকার করেছিলাম।এখন যুদ্ধপরাধীদের বিচার চলছে, চলবে এবং এদের রায় বাংলার মাটিতেই কার্যকর হবে।

তিনি বলেন, ক্ষমতায় গেলে জামায়ত ও আলবদর বাহীনির প্রধানদের নিয়ে সরকার গঠন করে বিএনপি।মুক্তিযুদ্ধদের রক্তে যাদের হাত রঞ্জিত তাতের গাড়িতে জাতীয় পতাকা তুলে দিয়েছিল বিএনপি।বাংলার জনগণ তাদের কোনদিনই ক্ষমা করবেন না।

তিনি আরও বলেন, যুদ্ধাপরাধীর বাঁচানোর জন্য বিএনপি নেত্রী তার সন্ত্রাসী বাহীনিকে লেলিয়ে দিয়ে মানুষকে হত্যা করেছে। এর জবাব একদিন বিএনপি নেত্রীকে দিতেই হবে।

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যতই হুমকি-ধামকি দেন না কেন বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে কেউ তা রুখতে পারবেন না।

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে খুনী মোশতাক ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্ব-পরিবারে হত্যা করে। ১৯৭৫ সালের পর বাংলাদেশে হত্যা খুনের রাজনীতি শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিশ্বাস করতেন না।জিয়াই স্বাধীনতা বিরোধীদের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে। আর মুক্তিযোদ্ধাদের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল।

শেখ হাসিনা বলেন, আজকে বাংলাদেশের অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে। আমরাই দেশের উন্নয়ন করতে পারি।কারণ মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বকারী দল ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়ন হবেই। আর অন্যরা ক্ষমতায় এসে কি দিয়েছে, শুধু খুন আর ষড়যন্ত্র।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করছেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এমআর