কাল্পনিক অভিযোগের ভিত্তিতে নাটক সাজিয়ে রংপুরে ছাত্রশিবিরের নিরপরাধ ৭ জন কর্মীকে অন্যায় ভাবে ২০ বছরের সাজা দেয়ার নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল জব্বার ও সেক্রেটারী জেনারেল আতিকুর রহমান বলেন, কোন অপরাধ নয় বরং ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক রাষ্ট্রীয় দমন নিপীড়ণের অংশ হিসেবে এই সাজা দেয়া হয়েছে।
এটি বিচারের নামে অবিচারের এক নিকৃষ্ট উদাহরণ। অন্যায় ভাবে সাজা প্রাপ্ত এসব কর্মী নিয়মিত ছাত্র। কোন রকম বিষ্ফোরণ দ্রব্যের সাথে তাদের কোন সম্পর্ক নেই। পরিকল্পিত ভাবে অভিযোগের নাটক সাজিয়ে মামলা করা হয়েছিল।
শুধু মাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে নিরপরাধ ছাত্রদের জীবন ধ্বংস করা হচ্ছে। সরকারের এই অপরাজনৈতিক খেলায় বহু নিরপরাধ ছাত্রের ভবিষ্যৎ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। হাজারো পরিবারের আশা আকাঙ্খাকে হত্যা করছে। শিক্ষাকে গভীর অনিশ্চয়তায় ফেলে দেয়া হচ্ছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকার নিজেরাই সরাসরি শিক্ষাকে ধ্বংস করছে। এক দিকে সরকারী ও দলীয় লোকদের প্রত্যক্ষ যোগসাজসে প্রাথমিক থেকে বিসিএস পর্যন্ত প্রশ্নপত্র ফাঁস করা হচ্ছে।
অন্যদিকে সরকারী মদদে তাদের সন্ত্রাসবাদী ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের সন্ত্রাসে শিক্ষাঙ্গণে সীমাহীন সন্ত্রাস, অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার, সাধারণ এবং নিরীহ ছাত্রদের রক্তে বার বার ক্যাম্পাস রক্তাক্ত হচ্ছে।
তাদের সিমাহীন সন্ত্রাসে প্রতিদিনই অসংখ্য মূল্যবান জীবন ঝড়ে যাচ্ছে কিংবা পঙ্গু হয়ে শিক্ষা জীবনের ইতি টানতে বাধ্য হচ্ছে। তাদের তান্ডবেই মাসের পর মাস দেশের বিশ্ববিদ্যালয়, গুরুত্বপূর্ণ কলেজ, মেডিকেল কলেজ বন্ধ রাখতে কর্তৃপক্ষ বাধ্য হচ্ছেন।
অথচ প্রকৃত সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় না এনে শুধুমাত্র রাজনৈতিক অসৎ উদ্দেশ্যে নিরপরাধ ছাত্রশিবির নেতাকর্মীদের জীবন ধ্বংসের পায়তারা চলছে।
নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে এ অন্যায় ও জুলুম বন্ধ করে ছাত্রশিবিরের ৭ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলাসহ সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে দেশে ও শিক্ষাঙ্গণে সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানান।
অন্যথায় নিরপরাধ ছাত্রদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা অব্যাহত রাখলে সরকারকে গণরোষের মুখোমুখি হতে হবে। যা তাদের জন্য লজ্জাজনক পরিণতি ডেকে আনতে পারে।
এসএইচ





