বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকারের ক্ষমতা আছে বলে যা খুশি করছে। কিন্তু জনগণের মন থেকে তারা জিয়াউর রহমানের নাম মুছে ফেলতে পারবে না।

আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘বর্তমান শাসনামলে সাম্প্রদায়িকতা, উগ্রবাদ ও আইনের শাসন’শীর্ষক আলোচনা সভায় মির্জা ফখরুল এ কথা বলেন। ব্যারিস্টারস ফর চেঞ্জ নামের একটি সংগঠন ওই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে কিউবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর সঙ্গে তুলনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, কাস্ত্রোর মৃত্যুর পর বিভিন্ন দেশের তরুণেরা তাঁর জন্য কাঁদছে। জিয়াউর রহমানও এমন জনপ্রিয় নেতা ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর লাখ লাখ মানুষ তাঁর জন্য কেঁদেছিল। তিনি আরও বলেন, ‘সরকার জিয়াউর রহমানের বীর উত্তম পদক কেড়ে নিয়ে তাঁর চরিত্র হননের চেষ্টা করছে। কিন্তু তাতে কোনো লাভ হবে না। কারণ, জিয়াউর রহমানকে মানুষ হৃদয়ে ধারণ করে।’

নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বিএনপির মহাসচিব। তিনি বলেন, মামলা দিয়ে খালেদা জিয়াকে দমিয়ে রাখা যাবে না।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠন নিয়ে খালেদা জিয়ার দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শুরু করার জন্য আবারও আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, সরকার ইতিমধ্যে এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। তারপরও বিএনপি আশা করে সরকার দাম্ভিকতা পরিহার করে এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শুরু করবে। পাশাপাশি নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ এবং শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়ায় ক্ষমতা হস্তান্তর নিশ্চিত করতে সংলাপের আয়োজন করার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের সাহস থাকলে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে নিরপেক্ষ নির্বাচন দিক। ফলাফল যাই হোক, বিএনপি তা মেনে নেবে।’

অন্যদের মধ্যে আয়োজক সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক আনোয়ার হোসেন, বিএনপির নেতা জয়নুল আবদিন, নিতাই রায় চৌধুরী, মাহবুব উদ্দিন খোকন, সানাউল্লাহ মিয়া প্রমুখ বক্তব্য দেন।

এআই