জাতির নাক কেটে অস্থিত্ব বিলীন করে দিয়ে ভারতের সাথে কোনো বন্ধুত্ব চাই না। যেখানে স্বার্ভভৌমত্ব জড়িত সেখানে অন্ধকারে রেখে ভারতের সাথে কোনো চুক্তি জনগণ মানবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডি’র সভাপতি আ স ম আবদুর রব।
আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ৩য় তলাস্থ হল রুমে জেএসডি’র উদ্যোগে এক সংবাদ সম্মেলনে রব একথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তা চুক্তির প্রসঙ্গে এ সংবাদ সম্মেলনে রব আরো বলেন, ভারতের সাথে এতো সর্ম্পক থাকার পরও কেন প্রতিরক্ষা চুক্তির প্রয়োজন হল, তা জনগণ জানতে চায়।
তিনি বলেন, এত বড় স্পর্শকাতর বিষয়ে দলীয় সরকার সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। বিরোধী দলকে আন্তর্জাতিক ও কূটনৈতিক পর্যায়ে পাশে রাখতে হবে। এতে সরকারের লাভ হয়, জোর পায়।
রব ভারতের সাথে চুক্তির ব্যপারে জাতিকে অবহিত করার পরামর্শ দেন সরকারকে। তিনি বলেন, এব্যাপারে জনগণের মতামত নিতে হবে। এখানে জবাবদিহিতার প্রশ্ন আছে। এখানে জনগণের আত্মমর্যাদা জড়িত। প্রয়োজনে গণভোটের আয়োজন করতে হবে।
রব আরও বলেন, আমরা এখন ১৯৭০ সালের পর্যায়ে নাই। বাংলাদেশের অবস্থান এখন দুর্বল না। তিনি বলেন, ভারত বন্ধু হলে চুক্তি করতে এত চাপ দেয়ার কথা শোনা যাচ্ছে কেন? ভারত সফরে ২৯টি সমঝোতা চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু তিস্তা চুক্তি যে হচ্ছে না তা সরকার নিশ্চিত।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ বন্দর, করিডর দিয়েছে অথচ আমাদের জীবন-মরণ সমস্যা তিস্তা চুক্তি হচ্ছে না। তিনি প্রশ্ন করে সরকারের কাছে জানতে চান, কেন তিস্তা চুক্তি হচ্ছে না? এটা নিয়ে জনগণ উদ্বিগ্ন। উত্তরবঙ্গের মানুষ চিন্তিত।
দু-দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ শলাপরামর্শ হলে উভয়ের স্বার্থ দেখার ব্যাপার আছে। বন্ধুত্ব একতরফা হতে পারে না। সংবাদ সম্মেলনে জেএসডি’র সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
এমবি





