বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সারাদেশে ইসলামী বই-পুস্তক, নামাজ-রোজা, দাড়ি-টুপি ও হিজাবধারীদের ওপর নির্যাতনের স্টিমরোলার চালানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর সভাপতি অধ্যাপক হাফেজ মাওলানা এটিএম হেমায়েত উদ্দিন।
তিনি বলেন, নামাজ, ইসলামী পুস্তক অধ্যায়নকারী ও হিজাব পরিহিতদের দেখলেই হামলা, নির্যাতন, অপবাদ, দুর্ব্যবহার, শাস্তি দেয়া হচ্ছে। এসব কিসের আলামত? বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষ নামাজ পড়েন, বোরকা-হিজাব ব্যবহার করেন, কোরআন-কিতাব পড়েন, দাড়ি-টুপি ধারণ করেন, তাহলে কি এরা সবাই জঙ্গি?
অধ্যাপক হেমায়েত উদ্দিন আরো বলেন, ঈমানদার মুসলমানদের পয়সায় পরিচালিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ইসলাম ও মুসলিম শূন্য করে নাস্তিক, মুরতাদ, ধর্মহীন অপশক্তির আস্তানায় পরিণত করতে চাইলে তাদের সে খায়েশ পূরণ হবে না। ইসলাম শূন্যের খেলা করার অধিকার এ দেশের মানুষ কোনো জাহান্নামের কীটকে দেয়নি। সরকার যদি নাস্তিক্যবাদীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তবে ইসলামী জনতার রুদ্ররোষ সৃষ্টি হলে জালিম ও আল্লাহদ্রোহীদের শেষ রক্ষা হবে না।
নগর সেক্রেটারি মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূমের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় রাখেন- আলতাফ হোসেন ও মাওলানা এবিএম জাকারিয়া, জয়েন্ট সেক্রেটারি অধ্যাপক ফজলুল হক মৃধা, মু. মোশাররফ হোসেন, মাওলানা এইচএম সাইফুল ইসলাম, নুরুজ্জামান সরকার, মাওলানা নজরুল ইসলাম, এডভোকেট সর্দার মো. মানিক মিয়া, আবদুল আউয়াল, নুরুল ইসলাম নাঈম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাসেম, হাজী আবদুর রহমান, এইচএম ছিদ্দিকুর রহমান প্রমুখ।
জেআই





