পচাত্তরে বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর খন্দকার মোশতাক ক্ষমতায় এসে মাত্র কিছুদিন ক্ষমতা ধরে রাখতে পেরেছিলেন। কারণ বেঈমান মোনাফেকরা কখনো ক্ষমতায় থাকতে পারেনা।
আজ রোববার বিকেল সাড়ে চারটায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় শোক দিবসের স্মরণে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আয়োজিত ছাত্র মহাসমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল, সেই হত্যাকারীদের বিদেশে নিয়ে আশ্রয় দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান।
সাবেক পররাষ্ট্র সচিব ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শমসের মুবিন চৌধুরীকে বেঈমান আখ্যায়িত করে শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিদেশে নিয়ে আশ্রয় দেয়ার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা ছিল খুবই জোরালো।
শেখ হাসিনা বলেন, মৃত্যুকে আমি পরোয়া করিনা। জীবন দেয়া ও নেয়ার মালিক আল্লাহ। কী পেলাম না পেলাম সেটা বড় কথা নয়। জনগণের জন্য কতটা কাজ করতে পেরেছি সেটাই বড় কথা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু নিজের সন্তানদের যতটা ভালোবাসতেন তার চেয়ে বেশি ভালোবাসতেন বাংলার বঞ্চিত মানুষকে। বঙ্গবন্ধুর মতো ত্যাগ স্বীকার খুব কম মানুষই করতে পারেন।
বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষন প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ৭৫-এ বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যার পর তার নাম পর্যন্ত ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল।
এমনকী বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ প্রচারকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। জিয়াউর রহমান, এরশাদ ও খালেদা জিয়ার সময়ও ৭ই মার্চের ভাষণ নিষিদ্ধ ছিল।
ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বাঁচাতে ষড়যন্ত্র করেছিলেন জিয়াউর রহমান এমন অভিযোগ এনে শেখ হাসিনা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, রক্ত ও ত্যাগের ইতিহাসকে বিকৃত করার ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল বার বার।
তিনি বলেন, একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে উদ্যোগ নিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তখন ১১ হাজার ব্যক্তি সাজাপ্রাপ্ত হয়েছিল এবং ২২ হাজার ব্যাক্তিকে আসামী করা হয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, জিয়াউর রহমান সেনাবাহিনীসহ প্রতিরক্ষা বাহিনীর হাজার হাজার সদস্যকে নির্মমভাবে হত্যা করেছিলেন।
ঢাকা, ৩১ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, কেবি





