ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এনডিপি’র চেয়ারম্যান জননেতা আলমগীর মজুমদার বলেছেন, শর্তহীনভাবে ভারতকে চট্রগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহার করতে দেয়া উচিৎ হবে না। আমাদের নিজের দেশের ব্যবসায়ীদের মালামাল আনয়নে যদি কাস্টমস সহ অন্যান্য শুল্ক প্রদান করতে হয় তাহলে ভারতকে কেন চট্রগ্রাম ও মংলা বন্দরে মালামাল আনা নেয়া করতে শুল্ক আরোপ করা হবে না।

তিনি আজ বিকালে ২২/১ তোপখানা রোডস্থ বাশিকপ ভবনের ৫ম তলায় অবস্থিত দলীয় কার্যালয়ে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আন্দোলন-বিজিএ আয়োজনে সমসাময়িক রাজনীতি বিষয়ক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে আজকের দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকায় “শুল্ক ছাড়াই চট্রগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহার করতে চায় ভারত”শীর্ষক খবরের উদ্বেগ প্রকাশপুর্বক বক্তব্য  এসব কথা বলেন। 

আলমগীর মজুমদার আরো বলেন, এমনিতেই ভারতকে ট্রানজিটের নামে করিডোর প্রদানে বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক জনগণ রাজী নয়। তারপর আবার যেভাবে ভারত কর্তৃক উপস্থাপিত এসওপি’তে ১০ টি জল ও সড়ক পথে ট্রানজিটের পণ্য আনানেওয়া করতে পারবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে তা সার্বভৌম বাংলাদেশের অস্তিত্বের প্রশ্নে হুমকিস্বরুপ এবং বাংলাদেশের ব্যবসায়ীক স্বার্থের পরিপন্থি। 

বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আন্দোলন-বিজিএ’র চেয়ারম্যান এআরএম জাফরুল্লাহ চৌধুরীর সভাপতিত্বে উক্ত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন , ন্যাশনাল লেবার পার্টি-এনএলপি’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ জিয়া, বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টি-বিআইপি’র চেয়ারম্যান এমএ রশিদ প্রধান, গণতান্ত্রিক ঐক্যের আহবায়ক রফিকুল ইসলাম, ন্যাশনাল কংগ্রেস’র চেয়ারম্যান কাজী সাব্বির, জাগো দল’র চেয়ারম্যান আবদুল মালেক চৌধুরী, বাংলাদেশ স্বাধীনতা পার্টি’র মহাসচিব এনএম ফয়েজ হোসেন, আমজনতা পার্টি’র মহাসচিব রফিকুল ইসলাম খান, বাংলাদেশ ন্যায়বিচার পার্টি’র চেয়ারম্যান লিটন হোসেন, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আন্দোলন-বিজিএ’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব শেখ হারুনার রশিদ, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এনডিপি’র সভাপতি মন্ডলীর সদস্য জয়নাল আবেদিন জনি  প্রমুখ দলীয় নেতা বক্তৃতা করেন।

এআই