৫ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচনের পর দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি এখন বিরোধীদলে নেই। অন্যদিকে দলটির প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ বিরোধী জোটের আন্দোলন মোকাবেলা করে আবারো সরকার গঠন করেছে।
বিরোধী দল যখন আন্দোলনের মাঠে ধীরগতিতে, সরকার তখন যৌথবাহিনী দিয়ে বিরোধী জোটের নেতাকর্মীদের আটক করছে প্রতিদিন। দিন দিন এ তালিকা বেড়েই চলছে। বিরোধী জোটের অভিযোগ যৌথবাহিনীর সদস্যরা আটককৃত বেশ কয়েকজনকে ক্রসফায়ারের নামে হত্যা করছে।
এ অবস্থায় বিরোধী জোটের আগামী দিনের কর্মপন্থা কী হবে, দ্রুত নির্বাচনের দাবি আদায়ে আন্দোলন কোন পথে এগোবে। তা ঠিক করাই এখন ১৯দলীয় জোট নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কাছে মূখ্য বিষয় বলে মনে করাছেন বিশ্লেষকরা।
এসব বিষয় মাথায় রেখেই চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখবেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও ১৯ দলীয় জোট নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় রাজধানীর গুলশানের হোটেল ওয়েস্টিনের বলরুমে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচনের পর থেকে দেশী-বিদেশী পরামর্শে হোক আর আন্দোলনের কৌশল হিসেবেই হোক, বিরোধী জোটের কোনো শক্ত কর্মসূচি নেই। সাদা মাটা কর্মসূচি নিয়েই তারা মাঠে আছে। এই প্রেক্ষাপটে খালেদা জিয়ার সংবাদ সম্মেলনের দিকে সবার দৃষ্টি। বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক ৩ বারের প্রধানমন্ত্রী কী বলবেন?
বিএনপির দলীয় সুত্রে জানা গেছে, নির্বাচন-পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সময়ে সারাদেশে বিরোধী জোটের নেতা-কর্মীদের গুম, হত্যা, হামলা, মামলার পরিসংখ্যানের বিস্তারিত চিত্র দেশবাসীসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে তুলে ধরতে পারেন খালেদা জিয়া।
পাশাপাশি বিরোধী জোটের এসব নেতাকর্মীদের বিচারবহির্ভূত হত্যা ও নির্যাতন বন্ধে সরকারের প্রতি আবারো আহ্বান জানাতে পারেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে বিরোধী জোট নেত্রী বেগম জিয়া সরকারের নির্দেশে যৌথ বাহিনীর মাধ্যমে দেশব্যাপী চলা দমন-পীড়ন অব্যাহত থাকলে আবারো কঠোর কর্মসূচি দিতে পারেন ।
তবে দলটির নীতি নির্ধারণী ঠিক করেন এমন কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে মঙ্গলবারের সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনের কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার সম্ভাবনা খুবই কম।
এছাড়াও খালেদা জিয়া ২৯ জানুয়ারি দেশব্যাপী কালো পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের অনুমতি না দেওয়ায় সরকারের কড়া সমালোচনা করে বক্তব্য দিতে পারেন ।
অন্যদিকে চলমান আন্দোলনে ভিন্নতা এনে সহনীয় কর্মসূচি অর্থাৎ সভা-সমাবেশ, মিছিল-মিটিংয়ের মতো গতানুগতিক কর্মসূচি দেওয়ার কারণ ব্যাখা করতে পারেন তিনি। তবে সরকারের দমন-পীড়ন অব্যাহত থাকলে এবং গণতান্ত্রিক কর্মসূচি পালনে বাধা দিলে খুব বেশি সময় দেওয়া হবে না সেটিও জানিয়ে দিতে পারেন তিনি।
সবশেষে সঙ্কট নিরসনে সরকারের প্রতি আবারো সমাঝোতার আহ্বান জানিয়ে জণগণের দাবি মেনে অবিলম্বে পদত্যাগ করে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে দ্রুত নির্বাচনের দাবী করতে পারেন।
এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি খালেদা জিয়া গুলশানের ওয়েস্টিন হোটেলে সর্বশেষ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ২০ জানুয়ারি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ ও ২৯ জানুয়ারি দেশব্যাপী কালো পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন । তবে প্রশাসন ২০ জানুয়ারির কর্মসূচির জন্য অনুমতি দিলেও কালো পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ করতে অনুমতি দেয়নি।
[b]ঢাকা, এমএইচ, ০৩ ফেব্রুয়ারি (টাইম নিউজবিডি.কম)//এএইচ [/b]
সংবাদ সম্মেলনে যা বলতে পারেন খালেদা জিয়া!
৫ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচনের পর দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি এখন বিরোধীদলে নেই। অন্যদিকে দলটির প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ বিরোধী জোটের আন্দোলন মোকাবেলা করে আবারো সরকার গঠন করেছে।
এসডিজি অর্জনে বিশ্বনেতাদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে পারস্পরিক সহযোগিতা, সহমর্মিতা ও যৌথ দায়িত্ববোধের ভিত্তিতে বিশ্বনেতাদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
র্যাব বিলুপ্তি চেয়েছিলেন খালেদা জিয়া, সংস্কার নয়: জামায়াত এমপি
নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের ঘটনার পর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া র্যাবকে ‘কিলিং স্কোয়াড’ আখ্যা দিয়ে বাহিনীটি বিলুপ্তির দাবি জানিয়েছিলেন বলে সংসদে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন।
শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বিরোধীদের আশ্রয়ে পাটোয়ারী-সিফাতরা জিয়া পরিবারকে গালিগালাজ করছে
বিরোধী দলের আশ্রয়ে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী-সিফাতরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জিয়া পরিবারকে লক্ষ্য করে অশালীন উক্তি ও বিবেক-নীতিবর্জিত গালিগালাজ করছেন বলে অভিযোগ করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। এ ধরনের বক্তব্য ফৌজদারি অপরাধের মধ্যে পড়ে বলেও দাবি করেন তিনি।
জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তারেক রহমানের পাশেও ঢাকাবাসী: আবদুস সালাম
ঢাকা শহর অতীতে যেভাবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পাশে ছিল, একইভাবে বর্তমানেও ঢাকাবাসী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পাশে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম।
















