জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ। সাবেক ফার্স্ট লেডি। এরশাদের কারণেই তিনি আজ কথিত বিরোধীদলের নেতা।

২০১৪ সালের ভোটার বিহীন নির্বাচনে তিনি সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হওয়ার সুযোগ পান। অনেক নাটকের পর তিনি ক্ষমতাসীন দলের সেই সাজানো নির্বাচনে অংশ নেন।

সরকারের আশ্রয়-প্রশ্রযে থাকা বিরোধীদলীয় এই নেতা এবার ময়মনসিংহ-৭ আসন থেকে নির্বাচন করবেন। গত ২৮ নভেম্বর মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

নির্বাচন কমিশনে দেয়া হলফনামায় রওশন এরশাদ তার স্বামীর নাম লিখেছেন হুসেইন ‘মোহাম্মদ’ এরশাদ। অথচ এরশাদ তার নিজের হলফনামায় লিখেছেন হুসেইন ‘মুহম্মদ’ এরশাদ।

এরশাদের দেয়া নামটিই সঠিক, যেটি সংবাদমাধ্যম ছাড়াও জাতীপার্টির দাপ্তরিক কাজে তিনি ব্যবহার করেন। অথচ রওশন তার স্বামীর নামটিই সঠিকভাবে লিখেননি।

হলফনামায় অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রওশন এরশাদ ১০০ ভরি স্বর্ণ ও অন্যান্য অলঙ্কার উল্লেখ করেছেন। যার মূল্য দেখিয়েছেন মাত্র ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা।

পল্লীমাতা নামে নিজ দলের কাছে পরিচিত হলেও এই নেত্রীর কৃষিখাতে কোনো আয় নেই। তবে জমি রয়েছে ১ একরের বেশি।

পেশায় পুরোদস্তুর ব্যবসায়ী রওশনের নামে ২টি ফ্লাট ও ১টি বাড়ি রয়েছে, যার মূল্য ৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

বাড়ি,এপার্টমেন্ট ও দোকান ভাড়া থেকে বছরে রওশন আয় করেন ১২ লাখ ৪৯ হাজার ১০৪ টাকা। চাকরি থেকে বছরে পান ১২ লাখ ৬০ হাজার টাকা। শেয়ার/সঞ্চয়পত্র থেকে আয় ৮৮ লাখ ৩৪ হাজার ২৯৭ টাকা।

অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রওশনের কাছে নগদ টাকা রয়েছে ৫০ লাখ টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমাকৃত অর্থের পরিমাণ ২৫ কোটি ৭০ লাখ ২৯ হাজার ২৩৩ টাকা। কোম্পানির শেয়ার কেনা আছে ৫০ হাজার টাকার। সঞ্চয়পত্র ৬০ লাখ টাকা।

রওশন এরশাদের তিনটি গাড়ি রয়েছে, যার মূল্য ১ কোটি ৫৩ লাখ ২৩ হাজার ৭৫০ টাকা উল্লেখ করেছেন।

স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে ১ একর জমির বেশি, যা থেকে আয় হয় ৩৩ লাখ টাকা। অকৃষি জমি ও অর্জনকালীন সময়ে আর্থিক মূল্য ১৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।

এএস