বান্দরবানে বিএনপির কালো পতাকা মিছিলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে ৬ জনকে আটক করেছে এবং মিছিল পণ্ড করে দিয়েছে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়।
প্রহসনের নির্বাচন বাতিল ও দলীয় নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বুধবার বিকাল সাড়ে ৪টায় বিএনপি মিছিল বের করলে এ ঘটনা ঘটে।
আটককৃতরা হলেন,স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মো. রাসেল (২৪),মো. হেলাল উদ্দীন (১৯), ছাত্রদল কর্মী মো. আরিফ উদ্দীন,মো. মোরশেদ (১৫),নেজাম উদ্দীন (২২) এবং যুবদল কর্মী মো. দেলোয়ার (১৮)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়,বিকেলে বান্দরবান বাজার এলাকায় জেলা বিএনপির কার্যালয় হতে বিএনপির কেন্দ্রীয় উপজাতি বিষয়ক সম্পাদক মাম্যচিংয়ের নেতৃত্বে মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি শহরের ট্রাফিক মোড়ে আসলে পুলিশ তাদের বাধা দেয় এবং লাঠিচার্জ করে। এক পর্যায়ে ধাওয়া- পাল্টা ধাওয়া হয় এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে নেতা-কর্মীরা।
এ সময় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম,যুবদলের সভাপতি মশিউর রহমান মিটন,যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নেজাম উদ্দীন চৌধুরী,স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মো. বেলাল,আবদুর রশীদ,মহিলা নেত্রী সাইচিং মার্মাসহ অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়।
পরে বাজারের পৌর শপিং কমপ্লেক্স চত্বর এবং জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে পৃথক দুটি সমাবেশে অনুষ্ঠিত হয়।
এতে বক্তব্য রাখেন,জেলা বিএনপির সভাপতি সাচিং প্রু জেরী,বিএনপির কেন্দ্রীয় উপজাতি বিষয়ক সম্পাদক মাম্যাচিং,জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান,জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ্যাপক মো. ওসমান গণি,জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সাবিকুর রহমান জুয়েল,প্রমুখ।
সমাবেশ শেষে পুনরায় মিছিলের চেষ্টা করা হলে ঘটনাস্থল থেকে ছয় নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ।
জেলা যুবদলের সভাপতি মশিউর রহমান মিটন জানান,পুলিশ অন্যায়ভাবে তাদের সমাবেশে বাধা দিয়েছে ও দলীয় নেতা-কর্মীদের আটক করেছে। তিনি আটকদের দ্রুত মুক্তির দাবি করেন।
এ বিষয়ে বান্দরবান সদর থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) আমির হোসেন জানান,সমাবেশ শেষে নেতা-কর্মীরা নাশকতা সৃষ্টি করতে পারে সন্দেহে তাদের আটক করা হয়েছে। পুলিশ হেফাজতে এদের জিজ্ঞাসাবাদ  করা হচ্ছে।
[b]ঢাকা , জানুয়ারি ২৯ ( টাইমনিউজবিডি.কম ) // কেএইচ[/b]