সরকারের প্রস্তুতির কারণেই ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ কোনো ক্ষয়ক্ষতি করতে পারেনি মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।
রোববার নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন তিনি।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারের প্রস্তুতির কারণেই ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ কোনো ক্ষয়ক্ষতি করতে পারেনি। ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলে আছড়ে পড়ার পর নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
হাছান মাহমুদ বলেন, ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’র ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ এখন বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি বলেছে, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সরকারের প্রস্তুতি নাকি যথেষ্ট নয়। অথচ ব্যাপক ও পর্যাপ্ত প্রস্তুতির ফলে আমাদের প্রাণ ও সম্পদ উভয়ই ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে। আমি তাদের বলবো, নিজের চেহারাটা আয়নায় দেখতে। কারণ, তাদের সময়ে ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে লক্ষ লক্ষ প্রাণহানি ও ব্যাপক সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল।’
তিনি বলেন, সে সময়ে বিমান বাহিনীর ৩৫টিরও বেশি যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল শুধু ব্যবস্থাপনার ত্রুটিতে, কারণ বিমান তো উড়িয়েই অন্যত্র নেয়া যেতো। বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারগুলো চলে এসেছিলো রাস্তায়।
নূর হোসেন সম্পর্কে তিনি বলেন, নূর হোসেন ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শহীদদের রক্ত বৃথা যায়নি। তাদের রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সে সঙ্গে এ দেশের মানুষ ভাত ও ভোটের অধিকার পেয়েছে। এর পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শহীদ নূর হোসেন দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি তছলিম আহম্মেদের সভাপতিত্বে সভায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, সহসভাপতি নূরুল আমিন রুহুল এমপি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম এ মান্নান কচি, প্রচার সম্পাদক আকতার হোসেন, শহীদ নূর হোসেনের বড় ভাই মোহাম্মদ আলী হোসেন, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
এম





