‘আপনারা যে চুরি করছেন এই ক্যাসিনোর মাধ্যমে তা প্রকাশ হয়ে গেছে। ক্যাসিনো তো ক্যাসিনো তার চেয়ে বড় কথা এই সরকার গত কয়েক বছরে ২৭ হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠের পূর্বপাশের পাকা রাস্তায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে দলের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল আলমগীর একথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের মানুষ খালেদা জিয়ার মুক্তি চায়। আপনাদের (সরকারের) সব জারিজুরি ফাঁস হয়ে গেছে। ক্ষমতা দিয়ে আর টিকে থাকা যাবে না। তাই এখনও সময় আছে সংসদ ভেঙে দিয়ে অবিলম্বে নিরপেক্ষ কমিশনের অধীনে নির্বাচন দিন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘বিদেশে গিয়ে পুরস্কার নিয়ে লাভ হবে না, দেশের মানুষের ভালোবাসা নেন। তা কাজ দিবে।’
‘ভোট ডাকাতি করে, চুরি করে, জনগণের আন্দোলন প্রতিরোধ করা যাবে না। আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারের পতন ঘটানো হবে। দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলনে নামার,’ আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল।
‘বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি মানেই গণতন্ত্রের মুক্তি। গণতন্ত্র পুনদ্ধারে দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন করতে হবে। এই যুদ্ধে সবাইকে অংশগ্রহণ করতে হবে,’ বলেন তিনি।
রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু, রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু প্রমুখ।
রাজশাহীর বিভাগীয় এই সমাবেশ স্থলে যেতে বিভিন্ন জেলা উপজেলার নেতৃবৃন্দকে পথে পথে বাধা দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন বিএনপির নেতারা। বৃষ্টির কারণ দেখিয়ে আন্তঃজেলার সকল রুটে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয় বলে জানান তারা।
মহাসমাবেশে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মির্জা আব্বাস, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুসহ শীর্ষ নেতারা উপস্থিত রয়েছেন। তারা বক্তব্য রাখবেন।
এএস





