গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে শনিবার সারাদেশে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে ২০ দলীয় জোট। 

বুধবার দুপরে গণমাধ্যমে পাঠানো বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে ২০ দলের পক্ষে এই কর্মসূচির কথা জানান।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশ যখন বন্যায় ভাসছে। লাখো বন্যার্ত মানুষ যখন বিপন্ন, নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে নিন্ম আয়ের মানুষ দিশেহারা ঠিক তখনই আবার অযৌক্তিক ও বে আইনীভাবে গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে।

তিনি বলেন, জনগণের কাছে দায়বদ্ধ কোনো সরকার জনস্বার্থবিরোধী এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। এই অনির্বাচিত সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ নেই বলে তাদের অনিবার্য দু:খ দুর্দশার কথা বিবেচনায় নেয় নি।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, এই মূল্য বৃদ্ধির ফলে প্রতিটি জিনিসের দাম আবারো বাড়বে। আর এ কারণে প্রত্যেকটি পরিবারের ওপর বাড়তি ব্যয়ের দু:সহ বোঝা বহন করতে হবে। তাই অবিলম্বে এই অন্যায় ও গণবিরোধী সিদ্ধান্ত বাতিলের জোর দাবী জানাচ্ছি। একইসঙ্গে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাই সরকারের এই গণবিরোধী সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ ও প্রতিবাদ গড়ে তোলার জন্য।

এর আগে রোববার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ২০ দলীয় জোটের বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৈঠকে অংশ নেয়া একাধিক সূত্র টাইমনিউজবিডি'কে জানিয়েছিল, হরতালের মত কঠোর কর্মসূচির পক্ষে অনেক নেতাই মতামত দিলেও খালেদা জিয়ার সর্বশেষ বক্তব্যে মনে হয়েছে এই মুহুর্তে তিনি হরতালের মতো কঠোর কর্মসূচি চান না। তাই হরতালের মত কঠোর কর্মসূচি না দিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করা হল।

এমএইচ