আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য নূহ-উল-আলম লেলিন বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডে দেশ হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জড়িত কিনা তা অনেক প্রমাণ সাপেক্ষ বিষয়, তবে বাংলাদেশে মার্কিন দূতাবাসের কয়েকজন কূটনীতিক হত্যাকাণ্ড ঘটবে এ বিষয়ে জানতো।
বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে দেশী বিদেশী চক্রান্ত জড়িত আওয়ামী লীগ নেতাদের এমন দাবির প্রেক্ষিতে কোন দেশ বিদেশী ষড়যন্ত্রে জড়িত টাইমনিউজ বিডির এমন প্রশ্নে তিনি এ কথা বলেন।
লেলিন বলেন, আমরা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে থাকাকালীন বঙ্গবন্ধু হত্যার বিষয়ে জেনেছি।তখন আমরা যখন বাহিরে বের হই তখন যুক্তরাষ্ট্রের আম্ব্যাসির গাড়ি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঝখান দিয়ে যেতে দেখেছি। এছাড়া এ্যন্থনি মাসকারেনহাসের বইতেও তিনি ১৫ আগস্ট রাতের বেলা থেকে ঢাকার রাস্তায় মার্কিন দূতাবাসের গাড়ি চলাচল করেছে তা উল্লেখ করেছেন। তখন তো গাড়ি ছিল কম, মার্কিন আম্ব্যাসির গাড়ি প্রত্যেক রাস্তায় টহল দিয়েছিল এর মানে এই যে তাদের কূটিনীতিকরা বঙ্গবন্ধুর হত্যায় বিষয় আগে থেকে জানতো।
লেলিন বলেন, দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িত কিনা তা অনেক প্রমাণ সাপেক্ষ বিষয় কারণ হত্যার আগে যুক্তরাষ্ট্র, ভারত থেকে তার নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য বলা হয়েছিল। কিন্তু তাকে হত্যার পরিকল্পনা হচ্ছিল তারা এ কথা জানায়নি। তাই এ বিষয়ে নিশ্চিত কিছু বলা যাবে না।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিষয় জিয়াউর রহমান জানতো। তিনি খুনিদের বলেছেন ‘গো এহেড’ মানে সামনে এগিয়ে যাও।
তৎকালীন সেনাপ্রধান কে এম সফিউল্লাহর বিষয়ে তিনি বলেন, তার বিষয়ে আমি কিছু বলতে চাই না। তিনি যে বই লিখেছেন তাতে তিনি তার নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন।
খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালন না করার বিষয়ে আওয়ামী লীগের এই শীর্ষ নেতা বলেন, যদি খালেদা জিয়া বলেতেন যে ১৫ আগস্ট আমার জন্মদিন না তাহলে এক কথা ছিল। কিংবা তর্কের খাতিরেও যদি মেনে নেই যে, ১৫ আগস্ট তার জন্মদিন কিন্তু বঙ্গবন্ধুর সম্মানে এবং বিতর্ক এড়ানোর জন্য তিনি এই দিনে জন্মদিন পালন করবেন না তাহলে এক কথা ছিল। আর আমরাও বিষয়ে পজিটিভ চিন্তা করতাম এবং তাকে স্বাগত জানাতাম।
ইআর/এমবি





