নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না এবং বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকারের উপর হামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জামায়াতের নায়েবে আমির এই নিন্দা জানান।
বিবৃতিতে ডা. তাহের বলেন, “নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ১৯ অক্টোবর বিএনপি চেয়ারপারসনের রোগমুক্তি ও সামাজিক কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না এবং বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার। অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার দেড় ঘন্টা পর সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে ব্যাপক ব্যাপক ভাংচুর করে। এমনকি নেতৃবৃন্দের গাড়িও ভাংচুরের হাত থেকে রক্ষা পায়নি। হামলায় নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না এবং বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকারসহ প্রায় ৩৫ জন লোক আহত হয়েছেন। আমরা এ ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”
জামায়াতের এই সাবেক এমপি বলেন, “দেশে আজ মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও সামান্যতম কোনো গণতান্ত্রিক অধিকার নেই। অগণতান্ত্রিক ও ফ্যাসিবাদী এই সরকার দোয়া ও বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচীর মত সামাজিক অনুষ্ঠানও নিরাপদে করতে দিচ্ছে না। তাদের একদলীয় শাসনকে দীর্ঘায়িত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। সরকার জনবিস্ফোরণের মহা আতঙ্কে ভুগছে, যার ফলে তারা বিরোধী মত ও পথকে কোনোভাবেই সহ্য করতে পারছে না। এভাবে কখনো কোনো দেশ চলতে পারে না।”
জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির বলেন, “অবিলম্বে নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না এবং বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকারের উপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।” প্রেস বিজ্ঞপ্তি
এমবি





