সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেছেন, আমরা কালবৈশাখী সৃষ্টির জন্য বদ্ধপরিকর হয়েছি। আর অগণতান্ত্রিক নির্বাচন নয়। এ ধরণের নির্বাচন করে আর পার পাওয়া যাবে না। এবার প্রতিবাদ প্রতিরোধ হবে। রুখে দাঁড়াবে বাংলাদেশ।
আজ (শনিবার) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের ‘ভিআইপি লাউঞ্জে’জেএসডি’র উদ্যোগে ‘বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আগামী সংসদ নির্বাচন’শীর্ষক গোল টেবিল আলোচনা ও ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
বি. চৌধুরী আরও বলেন, আমরা মাদকের বিরুদ্ধে। আমরাও চাই মাদকমুক্ত বাংলাদেশ। কিন্তু একটি স্বাধীন দেশের নাগরিককে পাখির মতো গুলি করার অধিকার কেউ চায় না। এ দেশে গুম হয়ে যায় খবর হয় না। মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ রক্তাক্ত হয়েছে। আর রক্তাক্ত হতে চায় না তারা। হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে যায়। এগুলি কী সরকার জানে না। তিনি বলেন, এসব কিছুর বিচার হবে। বাংলাদেশের সকল নিপীড়িত মানুষের ঐক হবে যুক্তফ্রন্টের মাধ্যমে।
গোল টেবিল আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন- জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি সভাপতি, যুক্তফ্রন্ট নেতা আ স ম আবদুর রব। মূল প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন জেএসডি সাধারন সম্পাদক আবদুল মালেক রতন।
গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাষ্ট্রি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী খালেদা জিয়ার প্রতি অবিচার করা হয়েছে। তিনি বলেন, তিন তিনবারে নির্বাচিত সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এমন আচরণেরও একদিন বিচার হবে।
আ স ম রব দেশে উন্নয়ণের ফিরিস্তি দেয়া আগে দেশে কত গুম অপহরণ হয়ে তার তালিকা প্রকাশ করুন। দেশটা এসরকার দেউলিয়া বানিয়ে ফেলেছে।
গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী বলেন, এ সরকার জয় বাংলা আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে একের পর এক অপকর্ম করে যাচ্ছে। এ সরকারকে কোনোভাবেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সরকার বলা যায় না।
নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে ইকরাম নিহতের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত বিচার চাই। জনগণ তালিকা চায় কারা মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানে কত মারা গেছে তার তালিকা জনগণ দেখতে চায়।
মুল বক্তব্যে রতন বলেন, দেশের রাজনীতিতে আজ চরম সঙ্বট ও আগামী সংসদ নির্বাচন নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে এ সংকট একেক সময়ে একেক রূপে আবির্ভূত হয়েছে। তবে বর্তমানের অনিশ্চয়তা ও সঙ্কট অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে প্রকট আকার ধারণ করেছে।
এমবি





