বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম খানের ছেলে রিফাত আব্দুল্লাহ খানকে গ্রেফতারের পর এসএসসি পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ না দেয়ায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা আবদুল হালিম এবং সেক্রেটারী নুরুল ইসলাম বুলবুল।
আজ শুক্রবার এক যৌথ বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে পরীক্ষা চলমান অবস্থায় কোন মামলা ছাড়াই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী একজন নিরাপরাধ পরীক্ষার্থীকে কেবল গ্রেফতারই করেনি বারবার রিমান্ডের নামে চালানো হচ্ছে মানষিক ও শারীরীক নির্যাতন।
এমনকি আটক অবস্থায় তার পরীক্ষা দেয়ার সুযোগও কেড়ে নেয়া হলো। একজন পরীক্ষার্থী অনেক স্বপ্ন নিয়ে জীবনের প্রথম পাবলিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে যায়। সেখান থেকে তাকে গ্রেফতার করে তার কিশোর মানষিকতার উপরে নিমর্ম আঘাত করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার এবং কাল শনিবারে অনুষ্ঠিতব্য পরীক্ষার জন্য আবেদন করা হলেও আদালত তা মঞ্জুর তো করেনইনি, উল্টো আরো ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। এর ফলে এসএসসি পরীক্ষার্থী রিফাত পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হলো।
চলমান এসএসসি পরীক্ষায় তার পরবর্তী পরীক্ষাগুলোও অনিশ্চয়তার মুখে পড়লো এবং সেইসাথে তার ভবীষ্যত শিক্ষা জীবনকেও অনশ্চিয়তার মুখে ফেলে দেয়া হলো। আইন অনুযায়ী একজন শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার করা হলেও তাকে পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ দেয়া উচিৎ।
কিন্তু কেবলমাত্র তার বাবার রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে প্রতিহিংশাপরায়ন হয়ে আটক রিফাতকে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করা হলো। শিক্ষা সম্প্রসারনের কথা সরকার বারবার বললেও এভাবে একজন এসএসসি পরীক্ষার্থীকে আটক অবস্থায়ও পরীক্ষা দিতে না দেয়া প্রতিহিংশামূলক আচরণের বহিঃপ্রকাশ।
মহানগর নেতৃদ্বয় বলেন, স্বৈরাচারী-ফ্যাসিষ্ট সরকার পতনের দাবীতে চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলনে মহানগর জামায়াতের আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম খানের ভূমিকার কারণে প্রতিহিংসায় অন্ধ হয়ে সরকার তার ছেলের সাথে ঘৃণ্য ও কাপুরোষোচিত আচরণ করছে।
আমরা আটক এসএসসি পরীক্ষার্থী রিফাত আব্দুল্লাহ খানকে পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করার নিন্দা জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে তাকে মুক্তি দিয়ে পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়ার দাবী জানাচ্ছি।
এসএইচ





