বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেছেন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যে বুদ্ধিজীবীরা সরব ছিলেন, পাক বাহিনীর নির্যাতনে শহীদ হয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। এসম আজকে, এই সরকারের নির্যাতনের বিরুদ্ধে যে জীবিত বুদ্ধিজীবীরা নীরব তাদের ধিক্কার জানাই।
রোববার রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট মিলনায়তনে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আলাল বলেন, আজ প্রধানমন্ত্রী বলে বেড়াচ্ছেন জিয়াউর রহমান খন্দকার মোশতাকের ঘনিষ্ঠ লোক ছিলেন। আজকে তার কাছে আমার প্রশ্ন, মোশতাক কার ঘনিষ্ঠ লোক ছিলেন? মোশতাক সর্বপ্রথম কার ঘনিষ্ঠ লোক ছিলেন? আপনার বাবা মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানের। তিনি যে আপনার বাবার ঘনিষ্ঠ লোক ছিলেন সেটা আগে বলেন। তার পরেরটা মিথ্যা হলেও সেটা মেনে নেবো।
তিনি বলেন, আজকের পুরো জাতির চোখে ধুলো দিয়ে প্রতারণা ও মিথ্যা বলার চক্রান্তে সেরা এ সরকার। এ সরকারের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ লড়াই ছাড়া বেগম জিয়াকে মুক্ত করা সম্ভব হবে কি না এ নিয়ে আমার যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। কারণ, বাংলাদেশের গণতন্ত্র, বাংলাদেশের মানবাধিকার, বাংলাদেশের স্বাধীনতার চেতনার মুক্তির সঙ্গে বেগম জিয়ার মুক্তির দাবি আজকে সমান্তরালভাবে চলছে। একটিকে বাদ দিয়ে আজকে আরেকটি চিন্তা করা সম্ভব নয়। তাই বেগম জিয়াকে মুক্ত করার জন্য প্রকৃতপক্ষে যদি আমরা সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে নামি, তবেই কেবল বেগম জিয়াকে মুক্ত করা সম্ভব।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বেগম সেলিমা রহমান, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, যুগ্ন মহাসচিব খাইরুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, সহ জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, যুবদল সাধারন সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারন সম্পাদক সাদেক খান প্রমুখ।
এএস





