সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় নিঃশর্ত জাতীয় ঐক্যে প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেছেন, দেশে ৪২টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল রয়েছে। জাতীয় এ সংকটে সকল রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

আজ শুক্রবার সকালে নয়াপল্টনস্থ যাদু মিয়া মিলনায়তনে তিনি বলেন, এর জন্য প্রয়োজন নিঃশর্ত জাতীয় ঐক্য। কিন্তু সেই ঐক্যর আহবানকে প্রত্যাখান করে সরকার জনআঙ্কাখার বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহন করেছে।

গোলাম মোস্তফা বলেন, দেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দলকে উপেক্ষা করে কোনো সংকট সমাধান করা সম্ভব হবে না। অথচ সরকার বরাবরই সরকারের শরিক আর গৃহপালিত বিরোধী দল ছাড়া বিএনপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক শক্তিকে অবহেলা করছে। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে জাতীয় ঐক্যের আহবান জানালো হলেও, সরকার সেই আহবান প্রত্যাক্ষান করে দোষারোপের রাজনীতি অব্যাহত রেখেছে। কিন্তু দোষারোপের রাজনীতি দিয়ে জাতীয় সংকটের সমাধান করা যাবে না।

তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্যে‘র আহবানকে নাকচ করে দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমগ্র জাতির প্রত্যাশা ও আকাঙ্খাকে উপেক্ষা করেছেন। লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশ যখন অস্তিত্বের গভীর সংকটে নিপতিত, দেশবাসী যখন আতঙ্কিত তখন প্রধানমন্ত্রীর নেতিবাচক বক্তব্য কার পক্ষে জাতির মনে আজ সেই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

তিনি আরো বলেছেন, তারা বলেছেন, আজকের সঙ্কটপূর্ণ রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দোষারোপের রাজনীতির অপসংস্কৃতি থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।দোষারোপের রাজনীতি দিয়ে জঙ্গিবাদ উগ্রবাদ দমন করা যাবে না। এতে তাদের লালন পালন হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিংবা সেনাবাহিনী দিয়েও জঙ্গিবাদ দমন সম্ভব নয়। জঙ্গিবাদ দমনে গণতান্ত্রিক পরিবেশ দরকার। জাতীয় ঐক্য দরকার।

বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ ‘উগ্র-সাম্প্রদায়িকতা, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ মোকাবেলায় জাতীয় ঐক্যেও প্রয়োজনীয়তা’-শীর্ষক মতবিনিময় সভার আয়োজন করে।

ন্যাপ ঢাকা মহানগর আহবায়ক সৈয়দ শাহজাহান সাজুর সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন ন্যাপ নগর সদস্য সচিব মোঃ শহীদুননবী ডাবলু, নগর সদস্য জিল্লুর রহমান পলাশ, শ্রমিকনেতা আবদুল্লাহ আল কাউছারী, যুব নেতা আবদুল্লাহ আল-মাসুম, স্বেচ্ছাসেবক নেতা আবদুর রহিম বাদশাহ, ছাত্রনেতা এইচ.এম. মেহেদী হাসান প্রমুখ।

ইআর