সত্য কথা বললেই রাজাকার আর ফাঁসি ফাঁসি আওয়াজ উঠে। যাদের হাত ও ঠোঁটে সেনা-বিডিআর, এতিম-ওলামা ও নিরাপরাধী অগণিত শহীদের রক্তে রাঙা সেই খুনের রাণীরাই এখন খুনের অভিযোগ তুলছে বলে মন্তব্য করেছেন জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান।
স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর ওফাত দিবসে আজ দুপুর ১২টায় সন্তোষ দরবার হলে জাগপা আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, স্বাধীনতার মহান ঘোষক ও রণাঙ্গণের সাহসী যোদ্ধা শহীদ জিয়াকে আজ প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে। অথচ বাকশালের পথ ছিড়ে আওয়ামী লীগের পুনঃজন্ম না দিলে গদিতে বসাতো পরের কথা শেখ হাসিনাদের ক্ষমতার স্বপ্নও দেখতে হতো না।
প্রধান বলেন, ৫ জানুয়ারির কুত্তা মার্কা নির্বাচনের পর দেশ এক ভয়ংকর সংকটে গণতন্ত্র নিহত, স্বাধীনতা বিপন্ন। এই দুঃসময়ে নির্লোভ অসমসাহসী, স্বাধীনচেতা, সিপাহসালার মওলানা ভাসানীর প্রয়োজন ছিল সবচেয়ে বেশী। তিনি মওলানা ভাসানীর শিক্ষা ও জীবনদর্শনকে ধারণ করে আজাদী ও গণতন্ত্র রক্ষায় আরেকটি জনযুদ্ধের প্রস্তুতি নেবার আহ্বান জানান।
তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগের ইতিহাস প্রতারণার, বিশ্বাসঘাতকতা, দেশবিক্রী ও গুম-খুনের ইতিহাস। ওরা প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মওলানা ভাসানীকে দল ছাড়তে বাধ্য করেছে। গৃহবন্দী করেছে, জুলুম চালিয়েছে। প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মেধাবী জননেতা শামসুল হককে পাগল বানিয়েছে। স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রধান সংগঠক, যুদ্ধকালীন প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদকে স্বাধীন দেশের মন্ত্রী সভায় থাকতে দেয় নাই।
এমনকি বাঁচতেও দেয় নাই। হানাদার পাক সেনাদের মত ভিন্নমতাবলম্বী ত্রিশ হাজার বাংলাদেশী দেশপ্রেমিককে হত্যা করেছে। মুক্তিযুদ্ধের গণতান্ত্রিক চেতনাকে হত্যা করে বাকশাল কায়েম করেছে। গদির লোভে ওরা বারবার নিজেদের আত্মাকে দিল্লীর কাছে বন্ধক রেখেছে।
মাওলানা ভাসানীর ওফাত দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক জাগপার কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি খন্দকার আবিদুর রহমানের সভাপতিত্বে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছিলেন। আরো বক্তব্য রাখেন জাগপা সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান, সহ সভাপতি মাস্টার এমএ মান্নান, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শফিকুল ইসলাম, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিন্সিপাল হুমায়ুন প্রমুখ।
এসএইচ





