গুলি করে মানুষ হত্যা, গ্রেফতার এবং জুলুম-নির্যাতনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং এ মুহূর্তে হত্যাকাণ্ড বন্ধের আহবান জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল ডা: শফিকুর রহমান।
মঙ্গলবার এক প্রেস বিবৃতিতে এ আহবান জানান তিনি।
তিনি বলেন, ক্ষমতার নেশায় অন্ধ স্বৈরাচারী সরকার নির্বিচারে গুলি করে মানুষ হত্যা করছে। গণগ্রেফতার অভিযান চালিয়ে ছাত্র-যুবকদের গ্রেফতার ও গুম করে ২০ দলীয় জোটের গণআন্দোলন দমনের ব্যর্থ প্রয়াস চালাচ্ছে।
পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি ইকবাল বাহার চৌধুরী গত ১৬ ফেব্রুয়ারী দুপুরে রাজশাহী সদর উপজেলায় আয়োজিত এক সমাবেশে বিরোধী দলীয় জোটকে লক্ষ্য করে ‘জনগণের জানমাল রক্ষা করার জন্য কাউকে হত্যা করলে অপরাধ হবে না।’ মর্মে বক্তব্য দিয়ে আইন নিজেদের হাতে তুলে নিয়ে মানুষকে হত্যা করার জন্য উস্কানি দিয়েছেন।
একজন পুলিশ অফিসার হিসেবে তিনি দেশের আইন ও সংবিধান লঙ্ঘন করে মানুষ হত্যা করার জন্য উস্কানি দিয়ে অমার্জনীয় অপরাধ করেছেন। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্যও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানান জামায়াতের এই নেতা।
বিবৃততে আরও বলা হয়, ২০ দলীয় জোটের আন্দোলন দমনের জন্য সরকার অব্যাহতভাবে জোটের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করছে। আজও (মঙ্গলবার) রাজধানী ঢাকা ও সারা দেশে জামায়াতসহ ২০ দলীয় জোটের দুই শতাধিক নেতাকর্মীকে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করেছে।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে আছেন- মৌলভীবাজার পৌরসভা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ ইয়ামীর আলী, ঝালকাঠী জেলার নলসিটি উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা ফিরোজ আলম, সিলেট দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলার গোলাপগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জনাব দুলাল আহমাদ, রাজশাহী মহানগরী শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ডা. আনোয়ারুল ইসলাম, সেক্রেটারি নাফিস রাইয়ান ও সমাজসেবা সম্পাদক সাঈদ আমীন মুলহীম। এভাবে জনগণের উপর জুলুম-নির্যাতন চালিয়ে ও নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করে আন্দোলন দুর্বল করা যাবে না বলেও জানান তিনি।
বিবৃতিতে সরকারের গণহত্যা, সন্ত্রাস, গুম ও গণগ্রেফতার অভিযান উপেক্ষা করে ২০ দলীয় জোট ঘোষিত সকল কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে পালন করে সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করার জন্য দেশের সংগ্রামী জনতার প্রতি আহবান জানানো হয়।
কেএইচ





