ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যেই স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরকে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সনদ প্রদানের দায়িত্ব অর্পণ করতে হবে।
বুধবার রাজধানীর কাকরাইলে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফকরের অডিটরিয়ামে ‘জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস-২০২১’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।
ডিএনসিসি মেয়র বলেন, এবার দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘সবার জন্য প্রয়োজন, জন্ম ও মৃত্যুর পরপরই নিবন্ধন’ যা সময়োপযোগী ও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, জন্ম বা মৃত্যুর ৪৫ দিন পর্যন্ত বিনামূল্যে, ৪৫ দিনের পর থেকে ৫ বছর পর্যন্ত ২৫ টাকা, ৫ বছরের পর থেকে ১০ বছর পর্যন্ত ৫০ টাকা এবং ১০ বছরের পর থেকে ১০০ টাকায় নিবন্ধন সনদ প্রদান করা হয়।
তিনি বলেন, এসডিজির টার্গেট অনুযায়ী নগরবাসীকে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের আওতায় আনার লক্ষ্যে সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলরদেরকে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সনদ প্রদানের দায়িত্ব অর্পণ করা প্রয়োজন।
মেয়র বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে শূন্য থেকে দুই বছর বয়সী সকল শিশুকে জন্মসনদের সাথে একটি করে গাছের চারা উপহার দেয়া হয়। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে বস্তিবাসীদের মাঝে কোভিড-১৯ এর টিকা, স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের মহাসড়কে অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে চলা বাংলাদেশ এখন বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। দেশের নিজস্ব অর্থায়নে এখন পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেলসহ মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হচ্ছে।
মেয়র ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে চালু করা ‘সবার ঢাকা’ মোবাইল অ্যাপস ব্যবহার করে নগরবাসী যাতে সহজেই জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সনদ সম্পর্কে জানতে পারে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানান।
আতিকুল ইসলাম বলেন, অপরিকল্পিত ঢাকায় পরিবর্তন এনে সবাই মিলে সবার বাসযোগ্য সুস্থ, সচল ও আধুনিক ঢাকা গড়ে তুলতে হবে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে প্রধান অতিথি হিসেবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে ডিএসসিসি’র মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বক্তৃতা করেন।
এবিএস





