সংবিধান সংশোধন করে সরকার বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ করেছে জামায়াত। শনিবার দলটির ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি ডা. শফিকুর রহমান এক বিবৃবিতে এ অভিযোগ করেন।

শুত্রুবার এক বিবৃতিতে একই অভিযোগ করেন বিএনপি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার একদিন পর একই অভিযোগ করেছে একাত্তরে যুদ্ধাপরাধের অভিযুক্ত জামায়াত।

গত সপ্তাহে আইন বিচার ও সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সাংবাদিকদের জানান, বর্তমান সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের স্থলে ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদটি পুনঃস্থাপনের মাধ্যমে বিচারকদেরকে অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের হাতে ন্যস্ত করা হবে। যা বর্তমানে বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা জুডিশিয়াল কাউন্সিলের ওপর ন্যস্ত রয়েছে।

এ সিদ্ধান্তকে বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণ সরকারের হাতে নেওয়ার অশুভ উদ্দেশ্যে আখ্যা দিয়ে জামায়াত দাবি করেছে, সংবিধানে সংশোধনের যে পাঁয়তারা সরকার করছে তা বন্ধ করা উচিত। দলটির দাবি, সংবিধান সংশোধন করে জুডিশিয়াল কাউন্সিলের ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে জাতীয় সংসদের হাতে ন্যস্ত করার মাধ্যমে সরকার বিচার বিভাগের যতটুকু ক্ষমতা বর্তমানে রয়েছে তাও হরণ করতে চায়। বিচারকদেরকে অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের ওপর ন্যস্ত করার অর্থই হচ্ছে বিচার বিভাগকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী বা সংসদ নেতার হাতে অর্পণ করা।

বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা এভাবে জাতীয় সংসদের হাতে ন্যস্ত করার পরিণতি কখনো শুভ হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে দলটি। দলের সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকার একদলীয় বাকশালী শাসন ব্যবস্থার দিকেই প্রত্যাবর্তণ করার ষড়যন্ত্র করছে।

ঢাকা, ২০ জুলাই(টাইমনিউজবিডি.কম)//কেএ